বল্লি মো. মজিবুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত
আলতাফ হোসেন বাবু: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লি মো. মজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি অফিস আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই অফিস আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও নিষ্ফল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। গত ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি মো. তৌফিক ইনাম ও বিচারপতি মাহমুদ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বল্লি মো. মজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে স্মারক নম্বর অনুযায়ী একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছিল। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শকের স্বাক্ষর এবং সাতক্ষীরা সদরের অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে ওই আদেশ দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষকের গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখের অনলাইন আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালার বিধান অনুযায়ী নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ৪ সদস্যের ওই অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. এনামুল কবীর স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে জানানো হয়, এই কমিটি পত্র জারির তারিখ হতে অনধিক ছয় মাসের জন্য বলবৎ থাকবে। অনুমোদিত কমিটির সদস্যবৃন্দ হলেন-সভাপতি পদে মো. আব্দুল গনি (বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), সাধারণ শিক্ষক সদস্য পদে মো. সাইদুর রহমান, সহকারী শিক্ষক (জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত), অভিভাবক সদস্য পদে জাহাঙ্গীর কবীর (জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত) এবং সদস্য সচিব হিসেবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। উক্ত অফিস আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং এর প্রতিকার চেয়ে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. সোফিউল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা হাইকোর্টে রিট পিটিশন (নম্বর: ১৫২৭৩/২০২৬) দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন। শুনানি শেষে আদালত ১৩ অক্টোবরের ওই অফিস আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন এবং বিবাদীদের প্রতি রুল জারি করেন। মামলায় শিক্ষা সচিব, যশোর বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালার প্রবিধান ১০ এর উপ-প্রবিধান (১) অনুযায়ী নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অনুমোদনের জন্য বোর্ডে দাখিল করতে হবে। এছাড়া অনুমোদিত এই অ্যাডহক কমিটি পরিবর্তন করার ক্ষমতা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।











































