কালিগঞ্জে জমি নিয়ে বি রো ধ – মা ও ছেলেকে পি টি য়ে জ খ ম করেছে প্র তি প ক্ষ রা
✍️রঘুনাথ খাঁ📝 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক✅
প্রকাশের সময় :
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
১০
বার পড়া হয়েছে
জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের পর মা মাধবী রানী মণ্ডল ও ছেলে শংকর মণ্ডলকে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবীরসহ তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা। বুধবার (১৫ এপ্রিল ‘২৬) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল কালীবাড়ি বাজারে এঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল গ্রামের সুনীল মণ্ডলের স্ত্রী ও ছেলে।
কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মাধবী মণ্ডল জানান,জমি নিয়ে তাদের সঙ্গে একই এলাকার সামাদ গাজী,তার ছেলে আলমগীর কবিরের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। জমি নিয়ে আদালতে দেওয়ানী মামলা ও ঘরজ্বালানী মামলা রয়েছে। গত ৮ এপ্রিল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের আদালতে আলমগীর কবিরের দুই বিঘা জমির নাম পত্তন বাতিল সংক্রান্ত তার দায়েরকৃত রিভিউ মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়। তিনি ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ৯ এপ্রিল সামাদ গাজী ও আলমগীর কবীর তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ঘরজ্বালানি ও দেওয়ানী মামলা তুলে নেওয়ার জন্য একটি সাদা কাগজে সাক্ষর নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলো। তাতে রাজী না হওয়ায় বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে তিনি( মাধবী)ও ছেলে শংকর নিজ বসতবাড়ির পাশে কাজ করার সময় সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবিরসহ তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী,শহীদুল, বালাপোতার নুরুজ্জামানসহ সাত/ আট জন তাদের বাড়িতে এসে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। দরজা ও তুলসী মন্দির ভাংচুর করে। ভাংচুরে বাধা দেওয়ায় লোহার রড দিয়ে তাকে ও ছেলেকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। স্থানীরা তাদেরকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।মাধবী মণ্ডল আরো জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তার পুত্রবধু সরস্বতী মণ্ডল তাদোরকে দেখতে হাসপাতালে দেখতে এলে সামাদ গাজী ও তার ভাড়াটিয়া লোকজন তাদের বসতঘরের বারান্দার দরজা ও রান্নাঘরের দরজা ভাংচুর শোষে চলাচলের রাস্তা বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সামাদ গাজী তাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।এমনকি ভাড়া করা সন্ত্রাসী দিয়ে বৃহষ্পতিবার রাতের আঁধারে তাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর করে বিরান ভূমিতে পরিনত করার হুমকি দিয়েছে।
এ ব্যাপারে সামাদ গাজী সাংবাদিকদের বলেন,বুধবার বিকেলে শংকর ও তার মা তার জমিতে জোর করে ঘর বানাচ্ছিল। তাতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুয়েল হোসেন জানান, সামাদ গাজীর দেওয়া অভিযোগটি তদন্ত করে দেখার জব্য উপপরিদর্শক আব্দুর রহিমকে বলা হয়েছে। মাধবী ও শংকরেরর চিকিৎসা শেষে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সামাদ গাজী ও আলমগীর কবীরের নেতৃত্বে ২০২৫ সালের ১৭ আগষ্ট থেকে ২৮ আগষ্ট এবং ১১ ও ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় লুটপাট,ভাংচুর শেষে কাটা তারের বেড়া ও প্রাচীর দিয়ে অবরুদ্ধ করে চারাট সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে দেওয়া হয়।