
সাতক্ষীরা সদরের শীবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক এক মহিলা সদস্যকে ধর্ষণ চেষ্ট করা হয়েছে। সাবকে ওই ইইপি সদস্যের বয়স (৪৫)। তিনি শীবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১,২, ও ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক দুই বারের সদস্য।
সাবেক ইউপি সদস্য জানান, প্রতিদিনের ন্যয় গত ১ এপ্রিল ‘২৬ বুধবার বিকাল ৬টার দিকে তিনি মাঠ থেকে ৮টি ছাগল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন এসময় সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকার অজিয়ার হোসেনের ছেলে শফিকুল ইসলাম তাকে জোর করে জাপটে ধরে শীবপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে শফিকুল ইসলাম তার খামার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় আমি বাঁধা দিলে সে আমাকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাকে ভয়-ভিতি দেখাতে থাকে এবং আমাকে মারতে থাকে এবং আমাকে আহত করে। এসময় ওই সাবেক ইউপি সদস্যের ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন শফিকুল ইসলামের ঘরে ঢুকে সাবেক ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে। স্থানীয় জনতা লম্পট শফিকুল ইসলামকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল করে। পরে সাতক্ষীরা সদর থানা পলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে শফিকুল ইসলামকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এসময় শফিকুল ইসলামের ঘর থেকে দেশীয় দুইটি হাসুয়া, একটি কুড়াল, দুইটি হাতুড়ি উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা আহত সাবেক ইউপি সদস্যকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সাবেক ইউপি সদস্য সামেক হাসপাতালে সার্জারী ওয়ার্ড (মহিলা) এফএসডাবলু বেড নং (০২) তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এব্যাপারে সাবেক ইউপি সদস্যের স্বামী বাবর আলী জানান, মুনজিতপুর গ্রামের অজিয়ার হোসেনের ছেলে শফিকুল ইসলাম শীবপুর রাজাপুরে জমি কিনে খামার বাড়ি নির্মান করেছে। আমার স্ত্রী ওই খামার বাড়ির পাশের মাঠ থেকে ৮টি ছাগল নিয়ে আসার সময় শফিকুল আমার স্ত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে আমার স্ত্রীকে ব্যাপক মারপটি করে আহত করে।
এঘটনায় সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলার প্রস্তুতি চলছে।