
সাতক্ষীরায় ১২০ জনের নমুনা পরিক্ষা করে ৩৩ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। সনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত একদিনে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’ নারীসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে সাতক্ষীরায় সীমিত আকারে শুরু হওয়া সাটডাউনের দ্বিতীয় দিনে শহরে সকাল থেকে ছোট খাটো যানবাহন চলাচল করেছে। বিভিন্ন যানবাহনে গ্রামের মানুষ শহরে আসছে। তবে তাদেরকে বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। পুলিশ যথারীতি তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই অনেকে চলাফেরা করছে। হাট বাজার করছে। তবে দোকানপাট বন্ধ থাকলেও চুরি করেই চলছে কেনাবেচা। পুলিশের বাধা ও ব্যারিকেডও মানছে না অনেকেই। বিপাকে পড়েছে মোটর চালিত ভ্যান ও রিক্সা চালকসহ খেটে খাওয়া মানুষ।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, বর্তমান করোনা পজিটিভ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন এবং শহরের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে আরও ১৭ জনসহ ৪৩জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা পজিটিভ ২৬ জন ও উপসর্গ নিয়ে ২৮৪ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে ১১৮ জন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। এ যাবত করানোয় মৃত্যু হয়েছে ৬৮ জনের। অপরদিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে মোট ৩৩২ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৭৭৭ জন। এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮৪৩ জন। এ পর্যন্ত জেলায় ১৩ হাজার ৫৩৭টি নমুনা সংগ্রহ করে ১২ হাজার ৭৫৮ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পজেটিভ এসেছে তিন হাজার ৩২১জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৫ জন। সরকারি ও বেসরকারি মিলে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৪০৯ জন।
অপরদিকে সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, জনসচতনতা কম থাকায় মানুষ লকডাউন লংঘন করছে। তবে আইন-শৃংখলা বাহিনী জেলার ৭ টি উপজেলায় জনসমাগম ও যানবাহন চলাচল নিয়ন্রনের চেষ্টা চালিয় যাচ্ছে। এজন্য পুলিশ বিভিন্ন সড়কে বসিয়েছে ব্যারিকেড।