রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ডক্টরস প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন ফারজানা ক্লিনিক জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদল সাতক্ষীরা জেলা কমিটি থেকে সিরাজুল ও লাল্টুর পদত্যাগ ভোজ্য ও জ্বালানি তেল পা চা র রো ধে বিজিবির বাড়তি ন জ র দা রি শ্যামনগরে চিংড়িতে পু শ করায় ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জ রি মা না : চিংড়ি আ গু নে পু ড়ি য়ে বি ন ষ্ট সরকারি ইজারাকৃত আশাশুনির হাড়িয়াখালসহ ৩টি জলমহাল দ খ ল করে মাছ লু ট ফলোআপ: কালিগঞ্জে জমি বি রো ধে মা ও ছেলেকে পি টি য়ে জ খ মে র পর নি রা প ত্তা হী ন তা য় পুরো পরিবার তালা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়কের নির্মাণকাজ উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ৪০৯ বোতল ফে ন্সি ডি ল সহ দুই মা দ ক কা র বা রি আ ট ক

বিজয় দিবস উপলক্ষে কালিগঞ্জে ‘কালো সূর্যের নীচে’ মঞ্চস্থ

✍️রঘুনাথ খাঁ 📝জেষ্ঠ প্রতিবেদক☑️
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

“সালে বাংগেল, গাদ্দের কে বাচ্চে। তুম লোক কাল রাত মে মেরে শির পর ইট ফেকা কিউ?” নাটকের এমন দৃশ্য মনে করিয়ে দেয় ১৯৭১ সালের পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় রাজাকার, আল বদর ও আল-সামস নামধারী হায়নাদারদের অত্যাচারের কথা। কয়েক মুহুর্তের জন্য দর্শকের মধ্যে পিন পতন নীরবতা পরিলক্ষিত হয়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে খোলা মঞ্চে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমানের লেখা “কালো সূর্যের নীচে” মঞ্চস্থ নাটকে মাঠ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। বাঙালী সংস্কৃতি থেকে ঠিক যখনই হারিয়ে যেতে বসেছিল যাত্রাপালা ও নাটক ঠিক তখনই এমন প্রাণবন্ত নাটক উপস্থিত সকল দর্শককে মুগ্ধ করে।

ঘণ্টাব্যাপি এ নাটকে ১৮জন অংশ নেন। মুগ্ধ হয়ে নাটক দেখেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী কালিগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হালিমুর রহমান বাবুসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অংশগ্রহণকারিদের বাগ্মিতায় ক্ষনিকের জন্য হলেও আনন্দে ভরে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের মন।

বিশিষ্ট নাট্যকার ও পরিচালক অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমান বলেন, এদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ও জঙ্গীবাদ প্রতিহত করতে শুধুমাত্র গান, কবিতা আবৃত্তি যথেষ্ঠ নয়। ফিরিয়ে আনতে হবে যাত্রাপালা ও নাটক। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যাত্রাপালা ও নাটকের সমন্বয় ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে। তা’না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভুলে যাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। এজন্য সরকারসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল শক্তির কমিটমেন্ট দরকার।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!