সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ শ্যামনগরে ফে ন্সি ডি ল ও বি য়া রসহ মা দ ক কা র বা রী আ ট ক সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ডের সাঁ ড়া শি অ ভি যা ন সাতক্ষীরায় ভোজ্য ও জ্বালানি তেল মজুদ ও পাচার ঠেকাতে বিজিবির বিশেষ কর্মসূচি তালায় ৩ পুরুষের বসতভিটায় বাড়িঘর ভা ঙ চু র, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা চু রি র অ ভি যো গ  শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীর চরের গাছ কা টা র প্র তি বা দে মানববন্ধন শ্যামনগরের সিডিও পেল “ইয়ুথ ইকুয়ালিটি এওয়ার্ড ২০২৬; লিঙ্গ সমতা, নারী অধিকার ও যুব নেতৃত্ব বিকাশে অবদানের স্বীকৃতি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের বিশাল মিছিল ও সমাবেশ কালিগঞ্জের মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ১২০০ লিটার ডিজেল জ ব্দ, ১০ হাজার টাকা জ রি মা না  সাতক্ষীরায় ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের সমাপনীতে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

তালায় টিস্যু কালচার কলায় ভাগ্যবদল কৃষক খায়রুল আলমের

✍️গাজী জাহিদুর রহমান 📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা তালায় আধুনিক পদ্ধতিতে কলা চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন শিক্ষিত বেকার যুবক খায়রুল আলম। তিনি উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের উত্তর শাহাজাতপুর গ্রামের মোঃ আনছার আলী মোড়লের পুত্র।

উচ্চ ফলনশীল জি-৯ বা গ্র্যান্ড নাইন জাতের টিস্যু কালচার কলা চাষ করে তিনি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তিনি তার বিনিয়োগের তুলনায় দ্বিগুণ মুনাফার আশা করছেন।

কৃষক খায়রুল আলম জানান, তিনি এমএ পাশ করে বাসায় বেকার বসেছিলেন। হঠাৎ তার মাথায় আসে কলা চাষের কথা। প্রায় এক বিঘা তিনি উচ্চ ফলনশীল জি-৯ (এ-৯) বা গ্র্যান্ড নাইন জাতের টিস্যু কালচার কলা চাষ করেন। কলা রোপণের মাত্র ৯-১০ মাসের মধ্যে কলার কাঁদি কাটা যায়। সব গাছ সমান উচ্চতার হয়, যা বাগানের পরিচর্যা সহজ করে। প্রতিটি কাঁদিতে গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত কলা থাকে। কলাচাষে তার মোট ব্যয় হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে লক্ষাধিক টাকার কলা বিক্রি করেছেন তিনি। বর্তমানে জমিতে পর্যাপ্ত কলার খাদি রয়েছে, যা খনেক টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া কলার চারাও বেশ দামে বিক্রি বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, ‘শুরুতে একটু ভয় ছিল। কারণ চারাগুলোর দাম সাধারণের চেয়ে একটু বেশি। কিন্তু মাঠে লাগানোর পর দেখা যায় এর বৃদ্ধি খুব দ্রুত হচ্ছে। প্রতিটি গাছে প্রায় ৩০-৩৫ কেজি ওজনের কাঁদি এসেছে। বাজারের সাধারণ কলার চেয়ে এই কলা দেখতে উজ্জ্বল হলুদ এবং স্বাদেও চমৎকার। বাজারে জি-৯ জাতের কলার ব্যাপক চাহিদা। এর খোসা কিছুটা পুরু হওয়ায় পরিবহনে নষ্ট হওয়ার ভয় কম থাকে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি সুবিধা। তিনি সরকারী কোন সাহায্য সহযোগিতা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজের খরচে চাষ করে এ পর্যন্ত পৌঁছেছেন। সুদমুক্ত কৃষি লোন এবং সরকারি সহযোগিতা পেলে কৃষকরা কলা চাষে আরো চাষে আগ্রহী হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান, খায়রুল আলমের এই সাফল্য প্রমাণ করে আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক জাত নির্বাচন করলে কৃষি থেকে বিপুল আয় করা সম্ভব।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!