বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা বিএনপির আয়োজনে রবিবার দুপুরে শহরের ইটাগাছা হাটের মোড়ে
সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরাম, শ্যামনগর, আশাশুনি ও কয়রা উপজেলা জলবায়ু অধিপরার্শ ফোরাম এবং শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ উপজেলা যুব ফোরামের আয়োজনে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকাকে
সাতক্ষীরা উপকূলে টেকসই বাঁধ নির্মাণে দাবি জানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার হামলার স্বীকার হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক শাহিন বিল্লাহ্ ও ইয়াছির আরাফাত। হামলার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সাতক্ষীরার স্বেচ্ছাসেবকরা। রোববার
সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলীয় জনপদকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করতে টেবসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও জলবায়ু প্রকল্পে সাতক্ষীরার জন্য ন্যয্য বরাদ্দের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সাতক্ষীরা
ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার চারটি উপজেলার ২৭টি ইউনিয়নের দেড় লক্ষাধিক মানুষ দুর্বিসহ জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ বাসস্থান ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। ইয়াস পরবর্তী নদীতে জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়াও
ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ এর প্রভাবে সাতক্ষীরা উপকূলের ছয়টি উপজেলার ৭৫৬০টি মাছের ঘের জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। একই সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধেরও ক্ষতি হয়েছে। অপরদিকে গ্রামবাসী ক্ষতিগ্রস্থ বাড়িঘর নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।
ঘুর্ণিঝড় ইয়াশের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকুলীয় অঞ্চলের নদীগুলোর প্রবল জোয়ারে বুধবার দুপুরে গাবুরা ইউনিয়নের জেলেখালি ও নাপিতখালিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লারিত হয়েছে। একই সময় বুড়িগোয়ালিনি
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে সাতক্ষীরায় ঝড়ো হাওয়ার সাথে সাথে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হচ্ছে। সুন্দরবন সংলগ্ন নদীগুলিতো জোয়ার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ সরিয়ে আনার আগাম ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা
পল্লীকবি জসিম উদদীন তার ‘মামার বাড়ি’ কবিতায় লিখেছেন, ‘ঝড়ের দিনে মামার দেশে, আম কুড়াতে সুখ; পাকা জামের শাখায় উঠি, রঙিন করি মুখ’। কবির এই চরণগুলোর সাথে আমি একমত হতে পারিনি।
ভয়ংকর আইলার দানবীয় আঘাতের পর এক যুগ পার হলেও রয়ে গেছে তার ক্ষত চিহ্ণ। এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি ক্ষতিগ্রস্থ সাতক্ষীরার শ্যামনগরের গাবুরা, পদ্মপুকুরের মানুষ ও আশাশুনির প্রতাপনগরের মানুষ। তাদের