
উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলিতে বার্ন ইউনিট না থাকায় পোড়া ও এসিড দগ্ধ রুগীরা জরুরী সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে সাতক্ষীরা জেলার মানুষ।
সোমবার (৪ মে ‘২৬) সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার নার্সদের সাথে দাতা সংস্থা একশন এইড ও স্বদেশ এর প্রতিনিধিদের মতবিনিময়কালে জানা যায় দগ্ধ রুগিদের জন্য বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে এসিড আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষ কোনও ব্যবস্থা নেই , যার কারনে আক্রান্ত রোগীরা দ্রুত চিকিৎসা না পাওযায় ক্ষত বেডে যায়। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাস পাতালে বার্ন ইউনিট সেকশন রাখা হলেও এখনও সেটি চালু হয় নি। ফলে কোনো দগ্ধ রুগী আসলে সার্জারী বিভাগের মাধ্যমে সেবা প্রদান করা হয় বলে জানান জরুরী বিভাগের ডাক্তার-নার্সরা। এছাড়া দগ্ধ রুগীর চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার এখনও নিয়োগ হয়নি এবং কোনও আধুনিক সেটিংস ইউনিট নাই।। সেকারনে শ্যৗামনগর তথা জেলার মানুষ বিশেষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না এবং এসিড দগ্ধ জরুরী রুগীদের জন্যও কোনও আলাদা ব্যবস্থা নেই।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জেলা বাইরে থেকেও প্রচুর রুগী চিকিৎসা নিতে আসেন, বার্ন ইউনিট থাকলে তারাও চিকিৎসা পেতে পারবেন বলে জানান। এক্ষণে জরুরীভাবে উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে বার্ন ইউনিট চালুর জন্য সাধারন রুগী ও ডাক্তারদের সাথে মতবিনিময় কালে নার্স ও ডাক্তাররা দাবি করেন।
হাসপাতালে মতবিনিময় করেন শ্যামনগর হাসপাতালের ডা: হাসানুর রহমান, সহকারী সার্জন, জয়তি বিস্বাস (SACMO)ফাহিম আল কিবরিয়া (SACMO), সাকির হোসেন (SACMO), সৈকত হোসেন এবং স্বদেশ এসবিজিএন প্রোগ্রাম অফিসার দেবজ্যোতি ঘোষ।