
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শুরু হয়েছে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয় পর্যায় থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত ধাপে ধাপে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা) জারি করা এক স্মারকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতায় ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ এবং কাবিং- এই চারটি বিভাগে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। ক্রীড়া বিভাগে ১০০ মিটার দৌড়, দীর্ঘ লাফ, উচ্চ লাফসহ বিভিন্ন ইভেন্ট রয়েছে। সাংস্কৃতিক বিভাগে কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, নৃত্য, গান, গল্প বলা, উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্কসহ মোট ১১টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে কুইজ প্রতিযোগিতা। সময়সূচি অনুযায়ী, বিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করে ১৯ মে’র মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের তালিকা পাঠাতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ১৯-২০ মে, উপজেলা পর্যায় ২২-২৩ মে, জেলা পর্যায় ৬-৭ জুন এবং বিভাগীয় পর্যায় ৮-৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, শুধুমাত্র তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে এবং ছেলে-মেয়ে পৃথক গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। প্রতিযোগিতার সব ধাপ প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান নীতিমালা-২০২৬ অনুসরণ করে আয়োজন করতে হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ১৯৮৫ সাল থেকে চালু থাকা এ পদক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সৃজনশীল অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।