শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিগঞ্জের চাঁচাই বৃক্ষ মেলা অবশেষে উদ্বোধন করলেন সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাসিতে নতুন গতি: সাতক্ষীরায় ১০ শিক্ষার্থী পেল বাইসাইকেল শ্যামনগরে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সম্পাদকের বাড়িতে হা ম লা, ভা ঙ চু র ও প্রা ণ না শে র হু ম কি  সাতক্ষীরা আদালত এলাকা এখন বিচারপ্রার্থীদের আ ত ঙ্কে র জনপদ! বিচারপ্রার্থীদের অ প হ র ণে র পর চাঁ দা আদায়ের অভিযোগ জাতীয় কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদে সাতক্ষীরার তিন মুফাসসির আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের চেউটিয়া নদী (বন্ধ) জলমহলের ইজারা আবেদন বাতিলের দাবি শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে সাতক্ষীরায় নিরাপত্তা জোরদার সমাজের প্রবীণরাই আসল নোঙর: সাতক্ষীরায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস সাংবাদিকতা থেকে সমাজসেবা—সাতক্ষীরার শেখ আমিনুর হোসেনের বহুমাত্রিক কর্মযাত্রা

ইয়াশের প্রভাবে সাতক্ষীরায় নদী বাঁধ ভাঙন, বইছে ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি, বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

রঘুনাথ খাঁ, জেষ্ঠ প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে

ঘুর্ণিঝড় ইয়াশের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকুলীয় অঞ্চলের নদীগুলোর প্রবল জোয়ারে বুধবার দুপুরে গাবুরা ইউনিয়নের জেলেখালি ও নাপিতখালিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লারিত হয়েছে। একই সময় বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের দাতিনাখালি গ্রামের চেয়ারম্যান মোড়ের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। ভেটখালির শেখপাড়া জামে মসজিদের পাশ ও নূরনগরের কুলতলী এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে।

এ ছাড়া ও কালীগঞ্জ উপজেলার কাকশিয়ালী নদীর পূর্ব নারায়ণপুরের জব্বারের ঘের নামক স্থানে বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, বাস টার্মিনালসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙনের ফলে কপোতাক্ষের পানিতে আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাহনিয়া লঞ্চঘাট, হরিশখালি, রইয়ার বিল, সুভন্দ্রকাটিসহ কয়েকটি গ্রামে ছয়লাব হয়ে গেছে। আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট ও বলাবাড়িয়ায় বেড়িবাঁধ উপচে পানি বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার বিঘার ফসলের খেত ও চিংড়ি ঘের ভেসে গেছে। এ ছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর ও আশাশুনির উপকুলীয় বাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধের অংশ বিশেষ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় গ্রামবাসি মাটি ও বালির বস্তা ফলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন। জোয়ারের পানি উঠলেও ভোটায় তা নামছে না। এখন পর্যন্ত বেড়িবাঁধের ৪০টি পয়েন্টে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নদীর পানি কয়েক ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি ও সেইসাথে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। জেলার ১৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্রে দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপদ্রুত মানুষের জন্য খুলে রাখা হয়েছে। তাদের উদ্ধার,খাদ্য, পানি, ঔষধ ও চিকিৎসার জন্য সব ধরণূর ব্যবস্থা রেখেছে জেলা প্রশাসন।

 

 

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!