বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আমিনুর রহমান আমিন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছার জোয়ার সাতক্ষীরায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে স ন্ত্রা সী হা ম লা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে হাবিবের নিয়োগে তালা উপজেলা বিএনপির অভিনন্দন সাতক্ষীরায় ঐতিহ্যের সাক্ষী মৃত জামগাছ, দু র্ঘ ট না র শ ঙ্কা য় উদ্বিগ্ন পৌরবাসী সাতক্ষীরায় তীব্র গরমে পথচারী ও শ্রমজীবীদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের সুপেয় পানি ও ছাতা বিতরণ কলারোয়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, সমস্যা সমাধানের আশ্বাস শ্যামনগরের গাবুরাতে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে ১৪ জনকে গরু বিতরণ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বি ক্ষো ভ  সাতক্ষীরা সী মা ন্তে বিএসএফের পু শ ই ন রু খ তে স ত র্ক অবস্থায় বিজিবি  সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত হলেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব 

“বাঘের কাছে ছাগল বন্ধক! মাফিয়াদের কাছে জি ম্মি রাষ্ট্র”

✍️জামাল উদ্দিন📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

যে দেশে সততা আর দায়িত্ব বিক্রি হয় মাফিয়াদের কাছে, সে দেশে উন্নয়ন আশা করা নিছক মরীচিকা। প্রশাসন থেকে শুরু করে ডাক্তার, নার্স, ব্যবসায়ী, ফুড অফিস, কৃষি অফিস, পিবিএস, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, বিটিআরসি, এনজিও, বেসরকারি ক্লিনিক, সমাজসেবা অফিস, সাংবাদিক, নৌকর্মচারী, পরিবহণের স্টাফ – শিক্ষা অফিস,প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সবাই অবৈধ অর্থের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। আর এর মুল হানি ট্রাম নারীরা।

স্বর্ণ, মাদক ও হুন্ডি পাচারের নেটওয়ার্ক দেশ-বিদেশে বিস্তৃত। এই ব্যবসায় লাভ প্রচুর, ক্ষতি কম, বিনিয়োগ বেশি। নিয়ম হলো -১ কোটি টাকার মাল বহন করতে হলে ৭০ লাখ টাকা অগ্রিম জমা রাখতে হয়। মাল গন্তব্যে পৌঁছে দিলে সহজেই ৫০ হাজার টাকা আয় হয়। সপ্তাহে দুইবার বা মাসে পাঁচবার চালান পৌঁছে দিলেই অবৈধ অর্থের পাহাড় গড়ে ওঠে। রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা মাসোয়ারা পান, বরং গার্ড দিয়ে পাচারকারীদের নিরাপদে পৌঁছে দেন। মাঝে মাঝে যে চালান ধরা পড়ে, তা তাঁদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল।

প্রায় পাঁচ বছর আগে সাতক্ষীরা জেলার কাঁকডাঙ্গা সীমান্ত ফাঁড়ির হাবিলদার নুরে আলম সোনাই নদীর পাড় থেকে সাড়ে ৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেন। স্থানীয় উপস্থিতি ছাড়াই জব্দ তালিকা তৈরি হয়। সোর্স জানায়, আসলে স্বর্ণ ছিল ২০ কেজির বেশি। প্রশ্ন উঠেছিল – পাচারকারী কেন সাড়ে ৪ কেজি স্বর্ণ নিয়ে পালালো না? উত্তর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি বড় কর্মকর্তাদের জানানো হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে জানালে তিনি বলেন – “রাষ্ট্রীয় কোষাগারে তো সাড়ে ৪ কেজি জমা হয়েছে, বিষয়টি চেপে যান।”

এখন এ অবৈধ ব্যবসা আরও আধুনিক রূপ নিয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট, নানা খেলোয়াড়, নার্সারির মালিক, এমনকি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নামেও চলছে এই ব্যবসা। বিশেষ করে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি করার নামে অনেকেই আসল পরিচয় গোপন করে স্বর্ণ, মাদক ও হুন্ডি পাচারের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এআই ছবি ও ভিডিও বানানোর আড়ালে চলছে কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন।

প্রশ্ন হলো – যদি রাষ্ট্রের শীর্ষ থেকে নিচ পর্যন্ত এই নেটওয়ার্কে সবাই জড়িত থাকে, তবে সে দেশে ন্যায়বিচার বা উন্নয়ন আশা করা যায় কীভাবে?

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!