রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত তালায় পরিবেশবান্ধব মৃৎশিল্প কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ  সাতক্ষীরায় ৮ দলীয় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি উপজেলা ডুমুরিয়ায় আটলিয়া ইউনিয়নে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরা মহিলা অধিদপ্তরের আয়োজনে আন্তঃ ধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশ-২০২৬ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে যুব নেতৃত্বাধীন অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত তরুণীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভা চিনাডাঙ্গায় তিলের আটী খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় শূন্য বিচারক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ব ন দ স্যু আ ত ঙ্ক ও ঋ ণে র বো ঝা নিয়েই সুন্দরবনে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে বনজীবীরা

দেবহাটায় শ্মশানের জমি বিরোধে সংবাদ সম্মেলন, শিক্ষকের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

✍️মীর খায়রুল আলম📝দেবহাটা প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জগদীশ সরকার শ্মশানের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার (২৯ আগষ্ট ‘২৬) সকালে দেবহাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সুবর্ণাবাদ মহাশ্মশানের প্রতিষ্ঠাতা তার বাবা নিরাপদ সরকার। তবে বাবার দানকৃত সম্পত্তি নয়, নিজের রেকর্ডভুক্ত জমি নিয়েই বর্তমান বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জানান, শ্মশানের পরিত্যক্ত পোড়া কাঠ তার রেকর্ডীয় জমিতে রাখা ছিল। পরে তিনি কাঠগুলো শ্মশানের নিজস্ব জায়গায় সরিয়ে সেখানে কিছু গাছ লাগান ও ঘেরা দেন। কিন্তু গত ২১ জুলাই একটি দাহক্রিয়ার সময় তাকে না জানিয়ে ঘেরা সরিয়ে আবার তার জমিতে পোড়া কাঠ রাখা হয়। পরে তিনি সেখানে গিয়ে দেখেন, লাগানো গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে এবং ঘেরা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

জগদীশ সরকারের দাবি, ওই দিন রাতেই একদল লোক তার বাড়িতে না পেয়ে শ্মশানে গিয়ে ঘেরা ও গাছপালা কেটে ফেলে, বাসায় ভাঙচুর চালায় এবং সীমানা পিলার তুলে ফেলে। এরপর ২২ জুলাই তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও দেবহাটা থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

তিনি আরও বলেন, থানার তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শ্মশান কর্তৃপক্ষকে শ্মশানের নিজস্ব জায়গায় পোড়া কাঠ রাখার নির্দেশনা দেন। ইউএনওর তদন্তও নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না হওয়ায় পরে পুনরায় তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

তার অভিযোগ, শ্মশানের বিরোধে আইনগত সুবিধা করতে না পেরে প্রতিপক্ষ ২৫ আগস্ট মানববন্ধন করে বিদ্যালয় ও তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, ঘুষ গ্রহণ ও সুদের ব্যবসার অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি অভিভাবকদের নগদ অ্যাকাউন্টে যায় এবং বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ফি নেওয়া হয় না।

২৭ আগস্ট শিক্ষা বিভাগের তদন্তের সময় বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার বাইরের লোকজনকেও অংশ নিতে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে তদন্তের আগে ও পরে তাকে এবং তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতি তিনি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের আহ্বান জানান।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!