ভালোবাসার রঙ বদলায়, ভালোবাসার সংজ্ঞা বদলায়, কিন্তু কিছু সম্পর্কের ভালোবাসা সময়ের চেয়েও গভীর হয়ে থাকে। আমার প্রথম সন্তান, আমার একমাত্র মেয়ে, আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু—প্রিয়তা। সে-ই আমার জীবনের সবচেয়ে কাছের
ভালোবাসার সংজ্ঞা, এর আওতা ও পরিধি, এর আইন-কানুন, বিধি-বিধান—এসব মানুষ জানুক বা না-ই জানুক, তবুও ভালোবাসে। বর্ষায় হোক, হেমন্তে হোক কিংবা বসন্তে—হৃদয়ে প্রেম আসে, মানুষ প্রেমে পড়ে। তখন প্রতিটি হৃদয়
ক্যালেন্ডারের ফাগুন ক্যালেন্ডারে ফাগুন আসে তবু সে ফাগুন নয়, হাওয়ার গন্ধে আজও পোড়া পাতার ধূসরতা, বিলবোর্ডের তীব্র আলোয় থমকে থাকে চাঁদ, রাস্তা জুড়ে জেগে থাকে ক্লান্ত মানুষের ছায়া। কোনো হলুদ
ভুল বসন্ত! আমি যে বছর প্রথম প্রেমে পড়লাম, সেই বছর ক্যালেন্ডার ভুল করেছিল— বসন্ত শুরু হয়েছিল পঁচিশে ডিসেম্বরে, হাসনাহেনা ফুল তার স্বভাবেই হেসেছিলো, আর অবুঝ প্রেমিক আমি ভেবেছিলাম, এই ঋতু
প্রেম একবারই আসে? প্রেম কি নদীর মতো, একবারই জন্মায় পাহাড়ের গায়ে তারপর সারা জীবন শুধু বয়ে চলে? নাকি প্রেম বাতাসের মতো, প্রতিটি ঋতুতে নতুন রঙ নিয়ে আসে, নতুন গন্ধ ছড়িয়ে
যমদূতের ফোনকল রাত সাড়ে বারোটা বাজে, পুরোনো আমলের ফোনটা হঠাৎ বেজে ওঠে, আমি ক্লান্ত চোখে তাকাই, মনে হয় স্বপ্ন, নাকি বিভ্রম? ধীর পায়ে এগিয়ে গিয়ে কাঁপা হাতে রিসিভ করে জিজ্ঞাসা
একটা বয়সের পর একটা বয়সের পর, ভালোবাসা মানে চিঠির মলাট ছেঁড়া শব্দ নয়, হাতের তালুতে লেখা নামের আদ্যক্ষর নয়, ভালোবাসা মানে হয়ে যায়— একটা লম্বা নিঃশ্বাস, এক কাপ নীরব চা,
অভিশপ্ত জাগরণ কত কিছু ছেড়ে এসেছি— নামহীন শহর, দগ্ধ বিকেল, স্মৃতির অন্ধকার অলিগলি, এমনকি নিজের ছায়াটাও… তবু পালাতে পারিনি তোমার দেওয়া একফোঁটা বিষাদ থেকে। রাত গভীর হলে— ঘুম আমাকে এড়িয়ে
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে দক্ষিণ বেদকাশীর চরামুখাতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থরা। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারী ‘২৫) খুলনা কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চরামুখার মেদেরচর এলাকায় নির্মিত বেড়ি
নিজের জন্য যতবার আয়নায় চোখ রেখেছি, দেখেছি—আমিই আমার চেনা প্রতিচ্ছবি, আমিই আমার হারানো সময়, আমিই সেই গল্প, যার নায়ক বদলানোর ক্ষমতা শুধু আমারই আছে। মানুষ আসে, মানুষ যায়, কেউ গল্প