যাত্রীসেবা নিশ্চিত ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ঝিনাইদহ এর উদ্যোগে জেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় রোডশো ও বাস কাউন্টার পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ
অপেক্ষা ট্রেন আসবে বলে স্টেশনে বসে আছি দীর্ঘক্ষণ, পালকহীন শালিকের মতো চেয়ে থাকি রেললাইনের দিকে— কোনো এক ভবিষ্যৎ এসে দাঁড়াবে কিনা আমার সামনে? কিন্তু সময় শুধু পেরিয়ে যায়, ট্রেন আসে
তবুও স্বপ্ন, তবুও আগুন আমার ভেতর আজও একখানা শ্বেতপাথর আছে— তুমি ছুঁলে তার শরীর বৃষ্টিতে ধুয়ে যাবে, কিন্তু কেউ ছোঁয় না, কেউ ফেরে না ফিরে— শুধু সময় নামে তৃষ্ণার্ত এক
শূন্যতার দরজায় একদিন সহসা ফিরে যাবো— শীতের শেষ বিকেলে, ঘাসের চাদরে ছড়িয়ে থাকবে ফেলে আসা বিকেলগুলোর ক্লান্ত রোদ। শুনবো না আর কাকের ডাকে ভিজে-যাওয়া পল্লবীর গান, শোনার কিছু বাকি থাকবে
নির্বাসিত প্রেম তোমার চোখে একবার তাকিয়ে ছিলাম— তারপর শূন্যতার রঙ বদলে গেল। হয়তো বসন্তের শেষ বিকেলে আকাশের কোণে এক ফালি চাঁদ ছিল, অথবা ছিল না— আমি আর নিশ্চিত নই। হলুদ
নিঃসঙ্গ বাতিঘর আমি আজন্ম ভালোবেসেছি— গভীর সমুদ্রের মতো, ঢেউ হয়ে এসে ভেঙে পড়েছি তীরের বুকে, ভেবেছি, কেউ না কেউ একদিন হাত বাড়াবে আমার দিকে। কিন্তু ভালোবাসা কি সত্যি সংক্রামক? নদী
একদিন দেখা হবে একদিন দেখা হবে, নিঃশব্দ নদীর পাশে, সেখানে জল ঘিরে থাকবে আলো, সন্ধ্যার ঝিম ধরা আকাশে ভাসবে একলা চিলের ছায়া। হয়তো সেইদিন বাতাসে মিশে থাকবে মহুয়া পাতার গন্ধ,
“আছিয়া, তোমার জন্য এই আগুন” আছিয়া, তোমার রক্ত মিশে গেছে এই মাটির গভীরে, যেখানে ফসল ওঠে, কিন্তু ন্যায় উঠে না, যেখানে সূর্য ওঠে, কিন্তু সত্যের আলো ফোটে না। তোমার আর্তনাদ
তবু আমি অপেক্ষায় রইলাম কেউ কখনও ডাকেনি— আমার নামে ভোরের পাখির মতো কেউ জাগেনি অথবা সন্ধ্যার ছায়ায় আমাকে ভেবে গোধূলির আকাশ রক্তাক্ত করেনি একবারও। আমি কতদিন হেঁটেছি নদীর ধারে, একলা
“নীল দূরত্বে হারিয়ে যাই” আমি সব সময়েই ভীড়ের মাঝে, তবুও একা—একেবারে একা! সন্ধ্যার পর নিউমার্কেটের আড্ডা শেষে, কেউ ফেরে ঘরে কেউ নামে পথে! আর আমি—আকাশের দিকে তাকিয়ে উত্তর খুঁজি কোনো