বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কলারোয়ায় গ্রাম আদালতের সমন্বয় সভা ভোমরা ইউনিয়নে এমএসপি ও এমএনপি সদস্যের দ্বি- মাসিক সমন্ময় সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান কাজী সাজেদুর রহমান দেবহাটায় অ বৈ ধ ভা বে বালু উ ত্তো ল নে জ রি মা না দেবহাটায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমম্বয় সভা অনুষ্ঠিত একটি হুইল চেয়ারের জন্য বৃদ্ধা আফিয়ারা বেগমের আকুতি! একমাত্র আশ্রয়স্থল বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন কলারোয়ার ভ্যান চালক সুরঞ্জন দাস কে জানতো শুভ’র লা শ ফিরিয়ে আনতে হবে! আশাশুনিতে বিএনপি নেতাদের বি রু দ্ধে মি থ্যা অ প প্র চা রে র প্র তি বা দে সংবাদ সম্মেলন তালায় সাস’র সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লেবাননে ড্রোন হা ম লা য় সাতক্ষীরার আরও এক যুবক নি হ তে র খবর

তোমরা যে বলো দিবস-রজনী ‘ভালোবাসা ভালোবাসো’- সখী, ভালোবাসা কারে কয়!

✍️কবি তানভীর আহমেদ☑️
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

ভালোবাসার সংজ্ঞা, এর আওতা ও পরিধি, এর আইন-কানুন, বিধি-বিধান—এসব মানুষ জানুক বা না-ই জানুক, তবুও ভালোবাসে। বর্ষায় হোক, হেমন্তে হোক কিংবা বসন্তে—হৃদয়ে প্রেম আসে, মানুষ প্রেমে পড়ে। তখন প্রতিটি হৃদয় প্রেমিক হয়ে ওঠে, প্রতিটি আত্মা কবিতার সুর বাঁধে। কেউ হয়তো শব্দের ঝরনা বইয়ে দিতে পারে, কেউ পারে না, কিন্তু অনুভূতি সেই একই থাকে—জগৎ যেন অপার আনন্দময় এক নন্দনকানন, যেখানে শব্দ হয়ে ওঠে ঝরনার কলধ্বনি, বর্ণ হয়ে ওঠে ইন্দ্রধনু, আর অস্তিত্ব ভরে যায় পূর্ণিমার জ্যোৎস্নায়।

প্রতিটি প্রেমিক তখন হয়ে যায় একেকজন অষ্টম এডওয়ার্ড। আমিও হয়েছিলাম তেমনই। যখন ভালোবাসার দরজায় কড়া নাড়ে, কবিরা হয়ে যান চণ্ডীদাস। তারা প্রিয়ার এক গুচ্ছ চুলের জন্য গোটা পারস্য সাম্রাজ্য বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকেন। হাত ছুঁয়ে নয়, তারা প্রিয়ার খোঁপায় আকাশ ছোঁয়া তারার মালা খুঁজে দেন। অসময়ে উদিত হওয়ার জন্য সূর্যকে ধমক দেন। দিনরাত অপেক্ষার সাগরে ভাসেন, জনম থেকে জনমে অভিসারের স্বপ্ন দেখেন। এমনকি প্রেমিকরা এতটাই অপ্রকৃত হয়ে পড়েন যে, প্রিয়ার চটি স্যান্ডেল বানাতে তামা বা রূপা নয়, একেবারে সোনার কারুকার্যে মনোনিবেশ করেন।

প্রিয়তমার কপালের বর্ণনায় ৩৫ বছর, চোখের জন্য ৪০০ বছর, হাসির জন্য ৭৫০ বছর, আর অবশিষ্ট দেহের সৌন্দর্যের ব্যাখ্যায় ৩০ হাজার বছর ব্যয় করতে তারা কাতর হন। কিন্তু হায়! সে সময় কোথায়? কালের রথ এগিয়ে আসে, মুহূর্তগুলো হারিয়ে যায় মহাকালের অতল গর্ভে।

এই পথ, যেখানে দাঁড়িয়ে আমি ২০২৫ সালের সূর্যোদয় দেখলাম, এই পথেই ২০০৭ থেকে ২০১৪—টানা আট বছর, প্রতিটি ১৪ ফেব্রুয়ারিতে এই রাস্তাটায় আসতাম, গন্তব্যহীন এই রাস্তায় হেঁটেছি, ভালোবাসার অনুভূতি নিয়ে পথ চেয়েছি। কিন্তু আজ, মহাকালের গহ্বরে বৃষ্টি যেমন জল শুষে নেয়, তেমনি সেই মুহূর্তও হারিয়ে গেছে। ১১ বছর কেটে গেছে অথচ পথটা আজও একই আছে, শুধু সময় বদলেছে।

জীবন সেখানে যেমন ছিল, তেমনই আছে। সময় তার নিজের পথে চলে, স্মৃতি রেখে যায়, ভালোবাসা বেঁচে থাকে। তাই, হে অপ্রেমিক ও অকবি, সময় নষ্ট করো না—ভালোবাসো, ভালোবাসো, শুধুই ভালোবাসো।

বেঁচে থাকুক সকল ভালোবাসা।

কবি তানভীর আহমেদ, প্রেম রোড, ০৭:৩০, ১৪/০২/২৫

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!