ভুল মানুষের শহর আধা জীবন পেরিয়ে বুঝলাম— আমি আসলে কখনোই মানুষ চিনতে পারিনি। প্রতিবার ভুল মানুষকেই আপন ভেবেছি, আর তারা নিখুঁতভাবে প্রমাণ করেছে— আমি ছিলাম কেবলই এক অযাচিত উপস্থিতি। যাদের
নীল আঁধারে ডুবে যাই তুমি কি জানো, আমি কেমন করে রাতের গহীনে একা হয়ে যাই? তোমার নাম কুয়াশার মতো গলির মোড়ে অদৃশ্য বাতাসে হারিয়ে যায়। তুমি না থাকলে, শহরটা কেমন
নীল আঁধারে ডুবে যাই তুমি কি জানো, আমি কেমন করে রাতের গহীনে একা হয়ে যাই? তোমার নাম কুয়াশার মতো গলির মোড়ে অদৃশ্য বাতাসে হারিয়ে যায়। তুমি না থাকলে, শহরটা কেমন
শেষ ধুলোর পথ সময়ের সাথে বয়স বাড়ছে, আর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে বুকের ভেতর— একটা কিছু খসে পড়ে প্রতিদিন, অদৃশ্য পাখির পালকের মতো শূন্যে ভাসে কোথাও হারিয়ে যায়। সন্ধ্যার ট্রেন জানালায়
অপার্থিব গোলাপ গোলাপ ফুটেছে—কিন্তু কি লাভ? তার গন্ধে যদি বিষাদ ছড়ায় অথবা নিঃসঙ্গ দুপুরের রোদে তার রং ঝরে পড়ে নিঃশব্দে! তুমি কি জানো, চুম্বন মানেই শুধু ঠোঁটের ভীড় নয়— কখনো
দূরত্বের সংলাপ তোমার নাম উচ্চারণ করি না, তবু শব্দেরা জানে, ভোরের শিশিরে লুকানো থাকে এক নিঃশব্দ আহ্বান। তোমার ছোঁয়া পাই না, তবু হাওয়ার ভাঁজে আঙুল রেখে অনুভব করি—তুমিও কি ঠিক
তুমি এসেছিলে তুমি এসেছিলে এক সন্ধ্যার বাতাসে, আলতো কুয়াশা মেখে— একটি গোধূলির দীর্ঘশ্বাসে ভিজে, নরম আলোয় ছুঁয়ে দিলে আমার চোখের ভেতর প্রাচীন শঙ্খের মতো নিঃসঙ্গতা। আমি জানতাম না তখন— তোমার
রাত্রির ট্রেন আর অসীমের পথ রাতের ট্রেন যায়— কুয়াশার ভেতর, ঘুমের ভিতর, সমস্ত অনিদ্রা ছুঁয়ে যেমন চাঁদের আলো ঝরে পড়ে শূন্য মাঠে, যেমন শালিকের ডানা কেঁপে ওঠে বসন্তের হাওয়ায়। আমিও
ধোঁয়াটে বিকেল ও একলা মানুষ কোথাও কেউ নেই— শহরের ইট, কংক্রিট, আর অগণিত জানালার ভিতর একটা মুখও নেই যে তাকাবে ফিরে, একটা হাতও নেই যে ধরবে চুপিচুপি। আমি একা, কাঁচের
লোকারণ্যের কোলাহল থেকে বহু দূরে, আজ সুন্দরবনের নিভৃত জগতে হারিয়ে গিয়েছিলাম। সবুজের গভীরতা, নদীর মায়া, আর বনের নিঃশব্দ সঙ্গীত—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত প্রশান্তি। গাছের ফাঁক গলে সূর্যের আলো এসে পড়ছে