পশ্চিম সুন্দরবনের নোটাবেঁকী ও কাচিকাটা অভয়ারণ্যে খাল থেকে ২টি নৌকা, ৬০০টি বর্শি, ২৫ কেজি কাঁকড়া, কাঁকড়া ধরার জন্য ব্যবহৃত নিষিদ্ধ ১২০টি আটন জব্দ করেছে বন বিভাগ। বন বিভাগের উপস্থিতি টের
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারণ্য এলাকার মান্দারবাড়িয়া ও হলদেবুনিয়স খাল থেকে রবিবার (২১ ডিসেম্বর ‘২৫) ভোরে একটি ট্রলার ও একটি নৌকাসহ নয়জন জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগ। এসময় মাছ কাঁকড়া ধরার
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ মাদক উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর ‘২৫) দুপুর ১২ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত এলাকা হতে পরিত্যক্ত
সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকার বিভিন্ন খাল থেকে সাতটি নৌকাসহ তিনজন জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগের স্মার্ট টিম। এসময় মাছ কাঁকড়া ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এক সপ্তাহের অভিযানে এসব নৌকা ও
সুন্দরবনে জলদস্যুদের অপহরণের শিকার হওয়া আট জেলে মুক্তিপণ দিয়ে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর ‘২৫) সকালে কদমতলা স্টেশনের আওতাধীন কঞ্চির খাল নামক স্থান থেকে জলদস্যুর তাদের একটি নৌকায় উঠিয়ে
মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণের দাবিতে সুন্দরবনে কর্মরত সাত জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যু ডন বাহিনীর সদস্যরা। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ মালঞ্চ নদীর হাঁসখালী, চলাকাটা, হতালবুনি খাল
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবনের অভয়ারণ্যের মান্দারবাড়ী এলাকায় অভিযানে চালিয়ে ইঞ্জিন চালিত টলার সহ ৭ জন জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগ। শনিবার (৬ ডিসেম্বর’২৫) দুপুরে মান্দারবাড়ী বন টহল ফাঁড়ির সদস্যরা তাদের আটক করেন।
সুন্দরবনের খাল ও চরাঞ্চলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০০ কেজি শামুক-ঝিনুকসহ আট জনকে আটক করেছে বন বিভাগ। বুধবার (৩ ডিসেম্বর ‘২৫) বিকেল ৪টার সময় পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক স্টেশনের
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের হলদেবুনিয়া অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে মাছ ধরার অপরাধে আট (৮) জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ। শনিবার (২৯ নভেম্বর ‘২৫) বিকালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের
সুন্দরবনের জলদস্যু ও উপকুলীয় অঞ্চলের কুখ্যাত মাদক চোরাচালানী আরজ খাঁন ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ‘২৫) ভোরে তাদেরকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী