মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ার সদর ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মসিউর রহমানের গণসংযোগ সুলতানপুর বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা সংশোধন করে নির্বাচনের দাবি সাতক্ষীরা জেলা বেকারি মালিক সমিতির আলোচনা সভা ও কমিটি গঠন: মনি সভাপতি, সাধারন সম্পাদক রবিউল কলারোয়ায় ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফে লে নি ধ ন, ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষ তি র মুখে মৌচাষি ঢাবি সাংস্কৃতিক সংসদের শাস্ত্রীয় ভরতনাট্যম কর্মশালা সম্পন্ন: সাতক্ষীরার শায়নীকে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের অভিনন্দন সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ মহিলা কল্যাণ পরিষদ অনুমোদিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অনুদানের চেক বিতরণ বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে নিজের ঘর থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে: সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ সাতক্ষীরার আবাদেরহাটে অসহায় বৃদ্ধা রউফুন্নেছার জমি দ খ ল, ভাং চু র ও লু ট পা টে র প্র তি বা দে বি ক্ষো ভ মিছিল ও মানববন্ধন ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিরাতুন্নবী (সাঃ) উদযাপন ও এডহক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান  সাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে খুঁজতে যেয়ে দুই শিশুর মৃ ত্যু

কলারোয়ায় ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফে লে নি ধ ন, ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষ তি র মুখে মৌচাষি

✍️মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল📝 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফেলে রাণি মৌমাছিসহ বিপুল পরিমাণ মাছি পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিপুলসংখ্যক মৌমাছি, মৌচাক ও মধু নষ্ট হয়ে গেছে। প্রায় আনুমানিক ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক মৌচাষি।
এ ঘটনায় কলারোয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম।
অভিযোগপত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার হরিণনগর গ্রামের মৌচাষি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে মাগুরা জেলা থেকে রাণি মৌমাছি নিয়ে মধু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ‘২৬) রাতে কলারোয়া উপজেলার মীরডাঙ্গা গ্রামে এসে পৌছান। সেখানে ইমামুল ইসলামের আমবাগানে অস্থায়ী মৌ-খামার স্থাপন করেন। সেখানে তিনি ২৮০টি মৌ-বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহের জন্য নিবিড় পরিচর্যা ও পাহারা দিয়ে আসছিলেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ‘২৬) রাত আনুমানিক ১:০০ টা থেকে ভোর ৬:০০ টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমবাগানে থাকা মৌমাছির ২৮০টি বাক্স পাশের দুটি পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়। সকালে উঠে খামার মালিক দেখতে পান, পুকুরের পানিতে ডুবে রানি মাছিসহ সব মৌমাছি মারা গেছে এবং বাক্সগুলো সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে জানান, শুক্রবার সারাদিন আমি আম বাগানে আমি যখন মৌ বাক্স গুলো সেখানে স্থাপন করলাম তখন কেউ আমাকে কিছু বলি নি। তারপর শনিবার সকালে উঠে দেখি আমার সব মৌবাক্স পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৌ-বাক্সগুলো শুধু পানিতে ফেলে দেওয়া হয়নি, এর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও জীবিকার পথও ধ্বংস করা হয়েছে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।
তিনি আরো বলেন, প্রতিটি বাক্সে ৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্য মৌমাছির বাজার মূল্য। ২৮০টি বাক্সে থাকা মৌমাছির বাজারমূল্য প্রায় ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। এছাড়া গত কয়েক দিনে খাদ্য ও পরিচর্যা বাবদ আরও প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। শত্রুতা করে আমার এই সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমি একবারে নিঃস্ব হয়ে রাস্তায় বসে গেছি।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় জমি মালিক ইমামুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম ও ইমরান হোসেনসহ এলাকার উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা এ ধরনের জঘন্য কর্মকান্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
বাংলাদেশ বিকিপার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এবাদুল্লাহ আফজাল বলেন, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানায় বড়ুই বাগানে মৌখামারের সব মৌবাক্স পুকুরে ফেলে যে দূর্ঘটনা ঘটিছে আমি তার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাই। দুষ্কৃতিকারী যেই হোক না কেন তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
এ বিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান রিমু মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে ১১ তারিখ রাতে। ভুক্তভোগী থানায় ১২ তারিখ এসে একটা লিখিত অভিযোগ দায়ের করে গেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!