সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও সবিতা সরকার শেখ রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক তালার সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যু, শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল দেবহাটার পারুলিয়া ইউনিয়ন শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট থেকে বাঁকাল ব্রীজ পর্যন্ত ড্রেনের উচ্চতা কমানোর দাবি ভবন মালিকদের দুধসংগ্রহকারী উদ্যোক্তাদের মাঝে ১০টি ভ্যান ও ৬০টি মিল্কক্যান বিতরণ তালার কৃষ্ণনগর সুইচগেট বন্ধ করে পাট পচন, জেলে সম্প্রদায়ের মানবেতর জীবনযাপন সাতক্ষীরায় পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত তালায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মহাকাশ নিয়ে ইউরোপের ভাবনা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ৯৮০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বে এমন অনেক পরিবর্তন হয়, যার সম্পর্কে ভূমি থেকে তেমন ধারণা পাওয়া যায় না৷ কিন্তু মহাকাশ থেকে দেখলে ভালোভাবে পরিবর্তনটি বোঝা যায়৷ যেমন, সাগরে পিএইচ-এর পরিমাণ কমে যাওয়া, দাবানলের প্রসার, প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব ইত্যাদি৷ ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (এসা) আগামী দশকে মহাকাশে গিয়ে এসব বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়ার পরিকল্পনা করছে৷

এসা আকাশে নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে৷ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ফাইভ-জি নেটওয়ার্কের পাশাপাশি এটি ব্যবহৃত হবে বলে দাবি করছে সংস্থাটি৷ তারা বলছে, এটি হবে নতুন প্রজন্মের তারহীন যোগাযোগ, যেখানে সবকিছু, সব জায়গায়, সবসময় যুক্ত থাকবে৷ এটি ভালো হবে, নাকি আশঙ্কার, সেই সিদ্ধান্ত আপনার৷

মহাকাশ পরিষ্কার

১৯৫৭ সালে মহাকাশে ভ্রমণ শুরু হয়েছিল৷ সেই থেকে মহাকাশে অনেক স্যাটেলাইট পাঠানো হয়েছে, যার একটি অংশের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও সেগুলো ফিরিয়ে আনা হয়নি৷ ফলে বর্তমানে আমাদের পৃথিবীর চারপাশে ৩৪ হাজারের বেশি পদার্থ ঘোরাফেরা করছে, যেগুলোর ব্যাস ১০ সেন্টিমিটারের বেশি৷ এসা একটি সক্রিয় মিশনের মাধ্যমে কিছু পদার্থ সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করছে৷

চাঁদের কাছে স্পেস স্টেশন

আগামী দশকে গেটওয়ে নামে একটি স্পেস স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে এসা৷ সেটি চাঁদের চারপাশে ঘুরবে৷ ফলে আরও ভালোভাবে চাঁদ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করা সম্ভব হবে৷ এছাড়া মহাকাশের আরো গভীরে যাওয়ার জন্য গেটওয়ে থেকে যাত্রা শুরু করতে পারবেন নভচারীরা৷ এদিকে, ২০২২ সালে বৃহস্পতি গ্রহের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে জুস নামের একটি মহাকাশযান৷

গ্রহাণুপুঞ্জের পথ পরিবর্তন

অ্যাস্টেরয়েড বা গ্রহাণুপুঞ্জের পথ পরিবর্তন করা সম্ভব কিনা তা জানতে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা এসা একটি মিশন পরিচালনা করবে৷ এক্ষেত্রে ডিডুমস অ্যাস্টেরয়েড ও তার চাঁদ ডিডিমুনকে বেছে নেয়া হয়েছে৷ নাসা প্রথমে ডিডিমুনের দিকে সেকেন্ডে ছয় কিলোমিটার বেগে ডিএআরটি নামের একটি প্রোব ছুড়ে মারবে৷ এরপর এসার এইচইআরএ মিশন এই সংঘর্ষের প্রভাব বিশ্লেষণ করবে৷

লঞ্চ ভেহিকল ও স্পেসপ্লেন

২০২০ সালের শেষ নাগাদ লঞ্চ ভেহিকল ‘আরিয়ান ৬’ কাজ শুরু করবে৷ আর ‘স্পেস রাইডার’ নামের একটি চালকহীন স্পেসপ্লেন ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করার কথা৷

গন্তব্য চাঁদ

আগামী দশকে প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় নভচারীদের চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা হচ্ছে৷ এছাড়া এসার সব নভচারী দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশে যাবেন৷ নাসার পাশাপাশি এসার নভচারীরা মঙ্গলেও যাবেন৷

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!