সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ‘খাদ্য ব্যবস্থা, উপকূলীয় বাস্তবতা ও এগ্রোইকোলজির পথ এবং ন্যায়সঙ্গত ও টকসই ভবিষ্যতের সন্ধান’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত বৃদ্ধা মাকে পি টি য়ে দাঁত ভা ঙা র অ ভি যো গে শিক্ষক ছেলের বি রু দ্ধে থানায় মা ম লা সাতক্ষীরায় ৭৪ কোটি টাকার মা দ ক ধ্বং স করল বিজিবি  উৎসবমুখর পরিবেশে কালিগঞ্জে বিআরডিবির ৪৩তম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনে সচেতনতায় র‍্যালি ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা সাতক্ষীরার নারী জেলা প্রশাসককে নিয়ে সংসদে ক টূ ক্তি র প্র তি বা দে তালায় মানববন্ধন সাতক্ষীরায় নি খোঁ জ স্ত্রীর খোঁ জে দি শে হা রা স্বামী কালিগঞ্জে জিয়া পরিষদের কমিটি গঠন: অলিউল সভাপতি, নুরুজ্জামান সম্পাদক ও শিমুল সাংগঠনিক জাকজমক পূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরার ভাই ভাই ট্রেডার্সের হালখাতা

অবশেষে সাতক্ষীরায় স্বস্তির এক পশলা বৃষ্টি

রঘুনাথ খাঁ, জেষ্ঠ প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
  • ১৭৪০ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ৪ মাস পর অবশেষে সাতক্ষীরায় বহু প্রতিক্ষিত বৃষ্টি নামলো। মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে জেলা জুড়ে প্রায় একই সময় এ বৃষ্টি শুরু হয়। চলে বিরামহীনভাবে ৪৫ মিনিট। এরপরেও থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছিলে ঘণ্টা দুয়েক। তবে কোন ঝড় না থাকায় ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শহরের কাটিয়া এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল আহমেদ জানান, ডিসেম্বর মাসে শীতের মধ্যে এক পশলা বৃষ্টি হয়েছিল। তার পর সাতক্ষীরা শহরসহ জেলায় বৃষ্টি হয়নি। কাঠফাটা রোদ ও গরম মানুষের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। আজকের বৃষ্টিতে সব তাপদাহ নিভে গেছে। খরতাপ দগ্ধ শহরে জীবনে নেমে এসেছে স্বস্তি। তিনিসহ অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজছেন বলে জানিয়েছেন।

মথুরেশপুর এলাকার আম চাষি লিয়াকত হোসেন জানান, তাপদাহে প্রচুর আম ঝরে গেছে। এই বৃষ্টিটা মাস খানেক আগে হলেও খুব উপকৃত হওয়া যেত। তবুও বলা যায়, বৃষ্টি তাপের ঝাঁঝ থেকে মুক্তি দিয়েছে।

বিনেরপোতা এলাকার হারুন সরদার জানান, বৃষ্টিতে পাটের অনেক উপকার হলো। বৃষ্টি না থাকায় পাটর চারা মরে যাচ্ছিলো। এছাড়া যাদের বারো ধান মাঠে রয়েছে, ঝড় না হওয়ায় তাদেরও কোন ক্ষতি হয়নি বলে জানান তিনি।

গরম ডাব বিক্রি বেড়েছিল ব্যাপকভাবে। যারা রোজা আছেন, তারা ডাব কিনে বাসায় নিয়ে যেতেন। আর যারা রোজা ছিলেন না, তারা তীব্র গরমে ডাবের পানি খেয়ে স্বস্তি নিতেন।

শহরের পোস্ট অফিস মোড়ের ডাব বিক্রতা আলিম হোসেন জানান, প্রতিদিন গড়ে দু’শতাধিক ডাব বিক্রি করা হয়। প্রতিটি ডাব ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রির কথা জানান তিনি।

দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় ‘সালাতুল ইসতিসকা’ আদায় করা হয়েছে। বিগত ১ সপ্তাহ সাতক্ষীরা সদর, শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ বৃষ্টির প্রার্থনায় নফল নামাজ আদায় করেছেন মুসুল্লিরা।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক যুলফিকার রায়হান জানান, জেলায় মঙ্গলবার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১১ মি.মি.। আকাশ এখনো মেঘলা রয়েছে। যেকোন সময় আবারো বৃষ্টি হতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!