মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুরের জলিরপাড়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের  তালায় নাগরিক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নবাগত ইউএনওসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপি ইজ্জত উল্লাহর মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরায় দু র্নী তি প্র তি রো ধে করণীয় শীর্ষক” প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬ সাতক্ষীরায় এসিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য পৃথক বার্ন ইউনিট দাবি সাতক্ষীরায় পুলিশ কনস্টেবল পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শুরু পুরুষের সমান কাজ করেও অর্ধেক মজুরি মেলে সাতক্ষীরার উপকূলের নারী শ্রমিকদের অবশেষে শ্যামনগরের অ প হৃ ত পশু চিকিৎসক অনিমেষ পরমান্যের মু ক্তি, আ ট ক -৩ সুন্দরবনে মু ক্তি প ণে র দা বি তে দুই বনজীবী অ প হ র ণ

দেবহাটায় আধানিবিড় বাগদার খামারে মাছ ব্যবসায়ী আনারুলের সাফল্য

✍️মীর খায়রুল আলম📝দেবহাটা প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার দেবহাটার পারুলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গাশিসা গ্রামের আহছানিয়া ফিস খামার বাগদা চাষে অভাবনীয় সফলতা দেখিয়েছে।

নলতা সংলগ্ন দেবহাটার মাটিকুমড়া গ্রামের আনারুল ইসলাম এ খামারটি পরিচালনা করেন। তার খামারটি ১২টি পুকুর সম্বলিত। খামারের মোট আয়তন ৯.০০ হেক্টর আর যার জলায়তন ৪.৮০ হেঃ। এটি একটি আধানিবিড় বাগদা চিংড়ি খামার। চাষকালে তিনি উপকুলীয় পরিবেশগত বিষয়াদি বিবেচনায় রেখে পরিবেশ বান্ধব খামার পরিচালনা করছেন। তিনি চিংড়ি চাষে সরকার অনুমোদিত বৈধ উপকরন ব্যবহার করে থাকেন। চিংড়ি উৎপাদনে গ্রোথ হরমোন বা এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন না। সম্পুরক খাদ্য হিসাবে তিনি সর্বদা সিপি বা অবন্তি কোম্পানির মানসম্মত ফিড ব্যবহার করেন। মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ দপ্তর সূত্রে জানা যায় উক্ত খাদ্য নমুনায়ন করে এ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত কোন গ্রোথ হরমোন বা এন্টিবায়োটিক পাওয়া যায়নি। চিংড়ি নমুনায়ন করেও এ পর্যন্ত কোন গ্রোথ হরমোন বা এন্টিবায়োটিক/কীটনাশক/নিষিদ্ধ কোন ক্যামিক্যাল পাওয়া যায়নি। ঘের প্রস্তুতকালীন তিনি কোন নিষিদ্ধ কোন ক্যামিক্যাল ব্যবহার করেন না যা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। ২০২৪ উৎপাদন বছরে খামারের ৪.৮০ হেক্টর জলাশয়ের ১২ টি পুকুরে ৬১.২৫ মেট্রিক টন চিংড়ি উৎপাদন করেন। অর্থাৎ হেক্টর প্রতি ১২.৭৬ মে. টন বাগদা চিংড়ি উৎপাদন করেছেন। প্রতি হেক্টরে ব্যয় করেছেন ৭০.৮৩ লক্ষ টাকা, আয় করেছেন ১০৯.৩৮ লক্ষ টাকা, ফলে হেক্টর প্রতি তিনি লাভ করেছেন ৩৮.৫৪ লক্ষ টাকা, যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সাড়া জাগানো খবর। এ ধরনের আধা নিবিড় পদ্ধতি অনুসরন করে আশপাশের অনেক বাগদা চিংড়ি চাষি বাগদা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন ফলে আধা নিবিড় বাগদা চিংড়ির খামার সম্প্রসারিত হচ্ছে।

দেবহাটা উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো: আবুবকর সিদ্দিক বলেন, উপজেলায় বর্তমান ৩ টি আধানিবিড় বাগদা খামার রয়েছে। আধানিবিড় খামার বাড়ানোর জন্য চাষিদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কারন সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টর প্রতি মাত্র ৩৫০ কেজি বাগদা উৎপাদিত হয় সেখানে আধানিবিড় পদ্ধতিতে হেক্টর প্রতি ১২ থেকে ১৫ হাজার কেজি বাগদা উৎপাদন সম্ভব। উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায় দেবহাটা উপজেলায় ৪৫০ হেক্টর আয়তনের ৭৭৫ টি গলদা ঘের রয়েছে যার উৎপাদন ৮৮৯ মে.টন ও ৮৮৯৩ হেক্টর আয়তনের ৭৪৬৯ টি বাগদা চিংড়ি ঘের রয়েছে যার উৎপাদন ৩৩৯০ মে.টন। অন্যদিকে মাত্র ১১ হেক্টর আয়তনের ৩ টি আধানিবিড় বাগদা খামার রয়েছে যার উৎপাদন ১৪৩ মে.টন। দেবহাটা উপজেলায় মাছের ৪৯৩৩ মে. টন চাহিদার বিপরীতে ১০৪৮১ মে.টন মাছ উৎপাদিত হয়। অর্থাৎ ৫৫৪৮ মে.টন মাছ বেশি উৎপাদিত হয়। মাছ ও চিংড়ি চাষে সমৃদ্ধ এ উপজেলা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানিতেও ভূমিকা রাখছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!