মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এক জীবনের আলোছায়া-নকিপুরের নোনাজলে শিক্ষক কৃষ্ণানন্দের স্বপ্নযাত্রা কলারোয়ায় বাক প্রতিবন্ধী নারীর বিয়ে ও দুই সন্তানের পি তৃ ত্ব নিয়ে তু মু ল বি ত র্ক পুরাতন সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুঃ সা হ সি ক চু রি! ৪০ দিনে কোন আ লা ম ত উ দ্ধা র হ য় নি  শ্যামনগরের গাবুরাতে পরিবারে আয় বাড়াতে ২৫ জন নারী-পুরুষকে গরু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সাতক্ষীরায় প্রযুক্তির সহায়তায় সংঘটিত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে মাল্টিস্টেকহোল্ডার সংলাপ দেবহাটায় ২০০ শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে আধুনিক ডাটা শেয়ারিং কার্যক্রম   প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন সাতক্ষীরায় পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগে মাঠ প্রার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধ র্ষ ণ: আসামী ইব্রাহীমের যা ব জ্জী ব ন স শ্র ম কা রা দ ণ্ড

ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ

✍️কে এম সাইফুর রহমান📝গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ মার্চ, ২০২৩
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ইমাম রাজী টুলুর হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এক স্কুলছাত্রী।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) বিকালে গোপালগঞ্জের পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার রাজৈর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় এক স্কুলের ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করা হয় তার বোনের বাড়ি মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের ফুলকুমারীতে। পরে খবর পেয়ে তিনি এ অভিযান পরিচালনা করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন।

এসময় কনে সাজে সজ্জিত নাবালিকা ওই স্কুল শিক্ষার্থীর ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে পরিবারের সদস্য ও তার দুলাভাইয়ের এবং বর পক্ষের নিকট থেকে মুচলেকা নেন ভ্রাম্যমান আদালত।

ইউএনও এস এম ইমাম রাজী টুলু বলেন‘ ওই ছাত্রীর পরিবার প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তাকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি আমাকে জানান তার বয়স ১৮-এর কম। তারা বিয়ে বন্ধের অনুরোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং দুই পক্ষের অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপ করে তাদের বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দেই।’

ইউএনও আরও বলেন, ‘প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বিয়ে দেওয়ার জন্য আমি ওই ছাত্রীর অভিভাবককে পরামর্শ দিয়েছি। ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ে এবং ছেলের পরিবার লিখিত অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করেছেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!