শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি তালায় উপকারভোগীদের সাথে সরকারি দপ্তরসমূহের পরিচিতি সভা  ডুমুরিয়ায় হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের সনদ প্রদান  সাতক্ষীরায় পৌরসভার অ বৈ ধ উ চ্ছে দ অ ভি যা ন বি পু ল অ স্ত্র-গো লা বা রু দসহ সুন্দরবনের নানা ভাই বা হি নী র ১২ ডা কা তে র আ ত্ম স ম র্প ণ সাতক্ষীরার দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ কলারোয়ায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাজর চারা বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব ডুমুরিয়ার কাঁঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত দেবহাটায় সোনালু বাগান উদ্বোধন করলেন ডিসি কাউসার আজিজ  সাতক্ষীরায় প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কৌশল ও সুযোগ’ বিষয়ক পরামর্শ সভা

কলারোয়ায় বাক প্রতিবন্ধী নারীর বিয়ে ও দুই সন্তানের পি তৃ ত্ব নিয়ে তু মু ল বি ত র্ক

✍️গাজী হাবিব📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছী ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা দক্ষিণপাড়ায় এক বাক প্রতিবন্ধী নারীকে কেন্দ্র করে বিয়ে, কাবিন এবং তার দুই সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও চাঞ্চল্য। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা, পাশাপাশি উঠছে পরস্পরবিরোধী নানান অভিযোগ।

জানা গেছে, সাইদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যস্থতায় জোরপূর্বক তাকে ওই বাক প্রতিবন্ধী নারীর সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। তিনি জানান, ৫ লাখ টাকা কাবিন নির্ধারণ করে বিয়েটি সম্পন্ন করা হয়। তবে তার অভিযোগ, তার প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই বিয়েটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে, যা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

সাইদুর আরও দাবি করেন, ওই নারীর দুই সন্তানের প্রকৃত পিতা তিনি নন; বরং একই এলাকার রাখাল মনি নামের এক ব্যক্তিই সন্তানের বাবা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল কাবিনের টাকা আদায় করা।

এদিকে, কাবিনের টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রতিবন্ধী নারীর বাবা তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছেন বলে অভিযোগ করেন সাইদুর। মামলাগুলো বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার নতুন মোড় নেয় গত রোববার (১৯ এপ্রিল)। স্থানীয় বলেন, সেদিন বিকেলে বাড়ির পাশের একটি ফাঁকা মাঠে রাখাল মনি ও ওই প্রতিবন্ধী নারীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। এ সময় রাখাল মনি ধানের জমির আইল দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

পরে উত্তেজিত এলাকাবাসী ওই নারী ও তার দুই সন্তানকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে কলারোয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে নারী ও তার সন্তানদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন, বিষয়টি সামাজিক অবক্ষয়ের উদাহরণ, আবার কেউ মনে করছেন, এখানে একটি অসহায় প্রতিবন্ধী নারীকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালী মহলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট জটিলতা কাজ করছে।

তবে এখন পর্যন্ত দুই সন্তানের প্রকৃত পিতৃত্ব, বিয়ের বৈধতা এবং কাবিন সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী- ঘটনাটি সংবেদনশীল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব। পাশাপাশি বিয়ের বৈধতা ও কাবিন সংক্রান্ত বিষয়গুলোও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!