সুন্দরবনে জলদস্যুদের অপহরণের শিকার হওয়া আট জেলে মুক্তিপণ দিয়ে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর ‘২৫) সকালে কদমতলা স্টেশনের আওতাধীন কঞ্চির খাল নামক স্থান থেকে জলদস্যুর তাদের একটি নৌকায় উঠিয়ে
মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণের দাবিতে সুন্দরবনে কর্মরত সাত জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যু ডন বাহিনীর সদস্যরা। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ মালঞ্চ নদীর হাঁসখালী, চলাকাটা, হতালবুনি খাল
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবনের অভয়ারণ্যের মান্দারবাড়ী এলাকায় অভিযানে চালিয়ে ইঞ্জিন চালিত টলার সহ ৭ জন জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগ। শনিবার (৬ ডিসেম্বর’২৫) দুপুরে মান্দারবাড়ী বন টহল ফাঁড়ির সদস্যরা তাদের আটক করেন।
সুন্দরবনের খাল ও চরাঞ্চলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০০ কেজি শামুক-ঝিনুকসহ আট জনকে আটক করেছে বন বিভাগ। বুধবার (৩ ডিসেম্বর ‘২৫) বিকেল ৪টার সময় পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক স্টেশনের
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের হলদেবুনিয়া অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে মাছ ধরার অপরাধে আট (৮) জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ। শনিবার (২৯ নভেম্বর ‘২৫) বিকালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের
সুন্দরবনের জলদস্যু ও উপকুলীয় অঞ্চলের কুখ্যাত মাদক চোরাচালানী আরজ খাঁন ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ‘২৫) ভোরে তাদেরকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮৬০ কেজি শামুক জব্দ করেছে বন বিভাগ। বুধবার (২৬ নভেম্বর ‘২৫) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হাজির মোড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব শামুক
সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে মাছ-কাঁকড়া শিকার নিষিদ্ধ। কিন্তু ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওইসব এলাকায় অবাধে চলে মাছ-কাঁকড়া শিকার। এমনকি বেশি মাছ পেতে নদীতে ছিটানো হয় বিষ। এসবের পেছনে কাজ করে শক্তিশালী একটি
একটি ওয়ান শুটার গান ও ২৭ রাউন্ড গুলিসহ সুন্দরবনের বনদস্যু সাইফুল ওয়াদুদকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সোমবার (১৭ নভেম্বর ‘২৫) ভোরে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার যতীন্দ্রনগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা
বাংলাদেশের উপকূলীয় নদ-নদীতে চায়না দুয়ারি জালসহ ক্ষতিকর বিদেশি মাছ ধরার জাল নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ‘২৫) সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ চত্বরে গ্রিন কোয়ালিশন