সাতক্ষীরা উপকূলের জানমালের সুরক্ষায় অবিলম্বে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয়রা। শুক্রবার সকাল ১০টায় শ্যামনগর উপজেলার পাতাখালি পয়েন্টে ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধের ওপর এই অবস্থান
সম্প্রতি প্রলয়নকারী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বা যশের ছোবল থেকে বাংলাদেশ রক্ষা পেলেও এর প্রভাবে নদ-নদীর সৃষ্ট জোয়ারের পানির তােড়ে ভেসে গেছে উপকূলবর্তী বহু এলাকায়। এর মধ্যে খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা আশাশুনির প্রতাপনগর,
সাতক্ষীরা পৌরসভায় ২০২১-২২ অর্থ বছরের খসড়া বাজেট বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় সাতক্ষীরা পৌর সভার সম্মেলন কক্ষে এ বাজেট বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা পৌর
ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ এর প্রভাবে সাতক্ষীরা উপকূলের ছয়টি উপজেলার ৭৫৬০টি মাছের ঘের জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। একই সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধেরও ক্ষতি হয়েছে। অপরদিকে গ্রামবাসী ক্ষতিগ্রস্থ বাড়িঘর নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।
আমাদের দেশটি সমুদ্র উপকূলবর্তী হওয়ায় প্রতিটি ঘুর্ণিঝড়ে অনেক মানুষ হতাহত হয়ে থাকে। বিশেষ করে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহটি, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস পরবর্তী বিপর্যয়ে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ সীমান্তের ইছামতি ও কালিন্দী সহ কাঁকশিয়ালী ও গলঘেষিয়া নদীর পানি ৮/৯ ফুট বৃদ্ধিতে আকষ্মিক জলোচ্ছাস ও নদী ভাঙ্গণে ব্যাপক এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মত পানি
ঘূর্ণি ঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার তালায় কপোতাক্ষ নদের পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার দুপুরে জোয়ারের পানিতে তালা উপজলার বালিয়ায় টিআরএম বাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী
ঘুর্ণিঝড় ইয়াশের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকুলীয় অঞ্চলের নদীগুলোর প্রবল জোয়ারে বুধবার দুপুরে গাবুরা ইউনিয়নের জেলেখালি ও নাপিতখালিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লারিত হয়েছে। একই সময় বুড়িগোয়ালিনি
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে সাতক্ষীরায় ঝড়ো হাওয়ার সাথে সাথে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হচ্ছে। সুন্দরবন সংলগ্ন নদীগুলিতো জোয়ার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ সরিয়ে আনার আগাম ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী ২২ টি পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। নদীর তীরে অবস্থিত আশ্রয়নে তাদের নেই আবাসন ব্যবস্থা, স্যনিটেশন ও সুপেয় পনির ব্যবস্থা। ঘুর্ণিঝড় জশকে