শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্যামনগরে মসজিদের পুকুর দ খ লে র পাঁ য় তা রা ও হু ম কি র প্র তি বা দে মানববন্ধন ভোমরা বন্দর থেকে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল জব্দ, ট্রাকসহ আ ট ক ২ ভা র তী য় না গ রি ক সাতক্ষীরায় নি খোঁ জে র তিনদিন পর মিলল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ম র দে হ ২৪ ঘণ্টায় ২১৬ মিমি: সাতক্ষীরার ইতিহাসে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতে বিপর্যস্ত জনজীবন সাতক্ষীরায় পরকীয়া প্রেমিকাসহ স্ত্রীর হাতে ধ রা প ড়ে প দ হা রা লে ন জামায়াত নেতা ফিরোজ তালায় পানিতে ডু বে শিশুর মৃ ত্যু ভোমরায় ছাদ ভেঙে যুবক নি হ ত, আ হ ত ৩ ভ য়া ব হ বি প র্য য়ে র মুখে বিচার বিভাগ: দ্রুত সংস্কারের দাবি ইয়ারুল ইসলামের এক অদম্য ক্রান্তি – কবি তন্ময় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আশাশুনিতে ক্যাম্পেইন

ভ য়া ব হ বি প র্য য়ে র মুখে বিচার বিভাগ: দ্রুত সংস্কারের দাবি ইয়ারুল ইসলামের

✍️মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল📝 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের বিচার বিভাগ বর্তমানে ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর মামলা চূড়ান্ত শুনানির অপেক্ষায় থাকায় বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী এবং পুরো বিচারব্যবস্থা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম।

শুক্রবার (১০ জুলাই ‘২৬) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, একটি মামলা চূড়ান্ত শুনানির পর্যায়ে পৌঁছাতে বছরের পর বছর লেগে যায়। এতে বিচারপ্রার্থীরা যেমন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন, তেমনি আইনজীবীদেরও মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়।

তিনি আরও বলেন, আপিল বিভাগে মামলা গেলে শুনানির কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি থাকে না। কতদিন পরে শুনানি হবে, তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন না। এতে বিচারপ্রার্থীদের অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, সুপ্রিম কোর্টে বেঞ্চ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কার্যতালিকা পরিবর্তন হওয়ায় বহু মামলার শুনানি নতুন করে পিছিয়ে যায়। অনেক পরিশ্রমের পর একটি মামলা যখন শুনানির তালিকার শীর্ষে আসে, তখন বিচারক পরিবর্তনের কারণে সেই অবস্থান হারিয়ে যায়। বিশেষ করে আংশিক শুনানি হওয়া মামলাগুলো দীর্ঘদিন ঝুলে থাকে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

তিনি বলেন, বেঞ্চ পরিবর্তন হলেও কার্যতালিকা যথাসম্ভব অপরিবর্তিত রাখা উচিত, যাতে বিচারপ্রার্থীদের অযথা নতুন করে অপেক্ষা করতে না হয়।

মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে যুগোপযোগী বিচার ব্যবস্থাপনা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পুরোনো পদ্ধতিতে বিচারকার্য পরিচালনা করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব আপিল বিভাগে অবিলম্বে পাঁচটি বেঞ্চ গঠনের দাবি জানান। পাশাপাশি মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট—উভয় বিভাগেই বিশেষায়িত বেঞ্চ গঠন এবং কার্যতালিকার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের কার্যকারিতা বাড়াতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাধারণ আইনজীবীদের প্রতি মাসে নিয়মিত সংলাপ হওয়া প্রয়োজন। বার ও বেঞ্চের মতামতের সমন্বয়ের মাধ্যমে আদালত পরিচালিত হলে বিচারপ্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, দ্রুত, কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য এখনই প্রয়োজনীয় সংস্কার গ্রহণ না করলে বিচার বিভাগের ওপর জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অবিলম্বে বাস্তবমুখী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!