রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুন্দরবনে মু ক্তি প ণে র দা বি তে দুই বনজীবী অ প হ র ণ তালায় ৬ পিস ই য়া বা সহ যুবক আ ট ক সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকা মু ক্তি প ণে র দাবিতে অনিমেষ পরমান্য নামের এক পশু চিকিৎসককে অ প হ র ণ বাস্তুহারা দলের তালা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন: লিটন আহবায়ক, মফিজুল সদস্য সচিব গাবুরায় সড়কের ওপর ঘেরের মাটি: চার হাজার মানুষের চলাচলের পথ এখন ‘খাল’ সাতক্ষীরা ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রাণসায়ের খাল রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন দেবহাটার সজল নবজীবনে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স এন্ড মিডওয়াইফারি ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ সারাদেশের কা রা ব ন্দি সাংবাদিকদের মু ক্তি র দা বি তে সাতক্ষীরায় অ ব স্থা ন কর্মসূচি

১০ লাখ টাকা মূল্যের মাছ নামমাত্র তিন লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি!

✍️গাজী জাহিদুর রহমান 📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবনে মাছ শিকারে যাওয়া জেলেদের জালে ৩২ কেজি পাঁচশ’ গ্রাম ওজনের একটি জাতভোল মাছ ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর ‘২৪) বিকালে পশ্চিম সুন্দরবনের বাটুলা নদীতে আকবর আলী মোড়লের জালে মাছটি আটকা পড়ে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর ‘২৪) দুপুরে লোকালয়ে ফিরে ভাগ্যবান ঐ জেলে ও তার সহযোগীরা উক্ত ১০ লাখ টাকা মূল্যের মাছ মাত্র তিন লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। যদিও শিকারী জেলেসহ স্থানীয়দের দাবি মাছটির প্রকৃত মুল্য প্রায় ১০লাখ।

সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীরা কম দামে মাছ বিক্রিতে বাধ্য করেছে। আকবর আলী শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের নাপিতখালী গ্রামের বাসিন্দা। মাছের ক্রেতা আব্দুস সাত্তার ও জামির আলী শ্যামনগর উপজেলার সোনারমোড় এলাকার আব্দুস সাত্তার ও সোনাখালী গ্রামের জামির আলী।

আকবর আলী তৃতীয় মাত্রাকে জানান, গত ৪ ডিসেম্বর অপর ছয় সহযোগীকে নিয়ে তিনি সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন থেকে পাশ (অনুমতি) নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার বাটুলা নদীতে জাল ফেলার পর বিশালাকারের ঐ মাছ তাদের জালে আটক হয়। শনিবার এলাকায় ফিরে উক্ত মাছ বিক্রির জন্য কক্সবাজার ও খুলনার ব্যবসায়ীদের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করে। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ী বাক্কার, জামির, মুসা ও সাত্তার বাইরের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলার পর সেসব ব্যবসায়ীরা মাছ কিনতে অনাগ্রহ দেখায়। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে শনিবার বিকালে মাছটি তারা তিন লাখ ১২হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

আকবর আলীসহ তার সহযোগী জেলে আবু রায়হান দাবি করেন নুন্যতম ১০লাখ টাকা দাম ঐ মাছের। সময় চলে গেলে মাছটি নষ্টের শংকায় তারা প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ মুল্যে উক্ত মাছ বিক্রিতে বাধ্য হয়েছেন।

এলাকার ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে তাদেরকে নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করেছেন বলেও অভিযোগ করেন এসব জেলে।
মাছের ক্রেতা জামির আলী ও আব্দুস সাত্তার তৃতীয় মাত্রাকে জানান, এ মাছের ফুলকা থেকে জীবন রক্ষাকারী ঔষধসহ মহামুল্যবান উপকরণাদী তৈরী হয়। যে কারনে কেজি ভেদে এ জাতীয় মাছের মুল্য ১৫ হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত বেশী হয়। সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করে তারা বলেন ব্যবসায়িক কৌশলের আশ্রয় নিয়ে মাছটি তারা কিনেছেন। পরবর্তীতে চট্রগ্রাম ও কক্সবাজারের ব্যবসাীদের কাছে আরও কিছু বেশী লাভে মাছটি বিক্রি করবেন বলেও তারা নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু বক্কার ওরফে বাক্কার তৃতীয় মাত্রাকে জানান, মাছটির মুল্য কমবেশী ১০ লাখ হবে। সবার আগে যেয়ে তিনি মাছটি কম দামে কিনতে সহায়তা করলেও শেষে তাকে বাদ দিয়ে জামির একাই মাছের ক্রেতা সেজে সমুদয় লাভ নিজে নিয়েছে। ইতোপুর্বে সুন্দরবনের কোন নদীতে এত বড় জাতভোল মাছ কোন জেলের জালে আটক হয়নি বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। মাছ বিক্রিতে জেলেদের টখানো হয়েছে বলেও দাবি তার।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রনী খাতুন তৃতীয় মাত্রাকে বলেন , জেলেদের যাতে নায্য মুল্য পায় এবং মাছ বিক্রিতে এমন প্রতারণার শিকার ভবিষ্যতে না হয় সেজন্য উপজেলা প্রশাসন মৎস্য বিভাগের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে। এমন পরিস্থিতিতে জেলেরা পরবর্তীতে মৎস্য বিভাগসহ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের জন্য নায্য মূল্য নিশ্চিতে সম্ভব সব চেষ্টা করা হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!