বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষক আছেন ৮ জন তবুও ক্লাস নেয় পিয়ন! উপকূলে জলবায়ু অভিযোজনে কারিতাসের বার্ষিক সমাবেশ বিভাগীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ সাতক্ষীরার দুই দল ফাইনালে সাংবাদিক এম জিললুর রহমানের খালার মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের গভীর শোক জ্ঞাপন দেবহাটা ভূমিসেবা মেলা উপলক্ষে র‌্যালি আলোচনা সভা দেবহাটায় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধিজনের মতবিনিময় দেশব্যাপী নারী ও কন্যা নি র্যা ত নে র বি রু দ্ধে সাতক্ষীরায় বি ক্ষো ভ সমাবেশ ধ র্মী য় অ নু ভূ তি তে আ ঘা তে র অ ভি যো গে সাতক্ষীরায় শিক্ষক গ্রে প্তা র সুন্দরবনে জেলেকে গু লি করে হ ত্যা: ‘প্রকৃত দোষীদের শাস্তি হবেই’-নিহত পরিবারকে আশ্বস্ত করলেন বন প্রতিমন্ত্রী সাতক্ষীরায় ভিটাবাড়ি থেকে উ চ্ছে দ করতে নিরীহ ব্যক্তিকে মি থ্যা মা ম লা য় জড়িয়ে হ য় রা নি র প্র তি বা দে সংবাদ সম্মেলন

তালার তাসলিমা বেগম গ্রাম আদালতের মাধ্যমেই সুদিন ফিরে পেয়েছে

সেলিম হায়দার, তালা প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪২৮ বার পড়া হয়েছে

গ্রাম আদালতে সম্পত্তি সংক্রান্ত, কাউকে উত্যক্ত করা, শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ, ক্ষতিপূরণ আদায়সহ নানা ধরণের বিবাদের সমাধান দিয়ে আসছে। গ্রামীণ জনপদে ন্যায় বিচার আদায় নামমাত্র খরচ ফৌজদারি ও দেওয়ানী মামলার সমাধান মিলছে এখানে। ফলে থানা-পুলিশ বা আদালতে বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা থেকে রেহাই মিলছে প্রাম্ভিক জনগোষ্ঠীর।

এমনি ভাবে গ্রাম আদালতের মাধ্যমেই নিজের জীবনের গতিপথ ফিরিয়ে এনেছে সাতক্ষীরার তালার উপজেলার তাসলিমা বেগমের। সে উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের রাজ্জাক গাজীর স্ত্রী।

তাসলিমা বেগম একই এলাকার জনৈক জব্বার মোড়লের কাছে ৭৫ হাজার টাকা ধার দিয়েছিল। তবে এই ধার দেওয়ায় যেন তার বড় অন্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারন তার ধার দেওয়া টাকাটা অবশেষে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ফেরৎ পেতে হয়েছে।

তাসলিমা বেগম তার ধার দেওয়া টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য তালার খলিলনগর ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে মামলা করেন। যার নং ০১/২০ পরবরর্তীতে ২২ জানুয়ারী ২০ তারিখে খলিলনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আজিজুর রহমান রাজু এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বরদের নিয়ে গ্রাম আদালত বসিয়ে তাসলিমা বেগমের টাকা তার কাছ হস্তন্তর করেন।

টাকা ফেরৎ পেয়ে তাসলিমা বেগমের স্বামী পার্শ্ববর্তী উপজেলার কাশিমনগর বাজারে একটি চায়ের দোকান দেন। সেখান থেকেই তার জীবনের গতিপথ ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত হয়। তাদের এখন স্বছল একটি পরিবার।

তাসলিমা বেগম বলেন, আমি টাকা ফেরৎ পেয়ে এখন খুবই খুশি আজ আমাদের সংসার একটা ভালো অবস্থান তৈরী হয়েছে। আমি এখন খুব ভালো ভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনতিপাত করছি।

এবিষয়ে খলিলনগর গ্রাম আদালতের সহকারী কৌকলি মন্ডল জানান, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তার টাকাটা ফেরৎ দেওয়া হয়। তাসলিমা বেগম ছাড়াও এপর্যন্ত ১৮৫টি অসহায়, দরিদ্র, ভুক্তভোগী পরিবার গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সহযোগীতা পেয়েছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!