রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুন্দরবনে মু ক্তি প ণে র দা বি তে দুই বনজীবী অ প হ র ণ তালায় ৬ পিস ই য়া বা সহ যুবক আ ট ক সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকা মু ক্তি প ণে র দাবিতে অনিমেষ পরমান্য নামের এক পশু চিকিৎসককে অ প হ র ণ বাস্তুহারা দলের তালা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন: লিটন আহবায়ক, মফিজুল সদস্য সচিব গাবুরায় সড়কের ওপর ঘেরের মাটি: চার হাজার মানুষের চলাচলের পথ এখন ‘খাল’ সাতক্ষীরা ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রাণসায়ের খাল রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন দেবহাটার সজল নবজীবনে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স এন্ড মিডওয়াইফারি ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ সারাদেশের কা রা ব ন্দি সাংবাদিকদের মু ক্তি র দা বি তে সাতক্ষীরায় অ ব স্থা ন কর্মসূচি

আশাশুনির বেঁড়িবাঁধটি অবশেষে মেরামতে ১৮ মাস পর পানিমুক্ত হল চারটি গ্রাম

✍️আসাদুজ্জামান🔏☑️
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও ইয়াসে বিধস্ত সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরের বন্যতলা এলাকার খোলপেটুয়া নদীর বেঁড়িবাঁধটি দীর্ঘ ১৮ মাস পর অবশেষে মেরামত করা সম্ভব হয়েছে।

এরফলে দীর্ঘদিন পর হলেও পানিবন্দি থেকে মুক্তি পেলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতাপনগর ইউনিয়ন বাসী। এতে বন্ধ হল ওই ইউনিয়নের চারটি গ্রামের লোকালয়ে নদীর লবণাক্ত পানি প্রবেশ। শনিবার দুপুরে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধের স্থানটি মেরামত করা সম্ভব হয়।

বাঁধটি মেরামত করা গেছে এই খবরে বন্যতলা এলাকায় ছুট যান শত শত মানুষ। মেরামত স্বেছাশ্রমে তারাও সহযোগিতা করেছেন অনেকেই। আনন্দ আতহারা দীর্ঘ ১৮ মাস পানিবন্দি থাকা উপকূলীয় ৬ হাজার বাসিন্দা।

প্রতানগর গ্রামের বাসিন্দা সাঈদুর রহমান জানান, ইয়াসের প্রভাবের জলোছ্বাস নদীর বাঁধটি ভেঙ্গে যায়। সেই থেকে দীর্ঘ ১৮ মাস পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছি। মানুষের কত দুঃখ-কষ্ট সেটি ভাষায় প্রকাশ অসম্ভব। গ্রামের মধ্যে দিয়েই নদীর জোয়ারের লবণাক্ত পানি উঠানামা করছে। গ্রামের মধ্যে অনকেস্থানে নদীর সংযোগ খালে পরিণত হয়েছে। ভেঙ্গে গেছে বহু মানুষের ঘরবাড়ি, ভেসে গেছে মাছের ঘের কৃষি জমি।

তিনি বলেন, অবশেষে বন্যতলা এলাকার সেই বাঁধটি ১৮ মাস পর রক্ষা করা গেছে। আজ থেকে নদীর পানি গ্রামে প্রবেশ বন্ধ হলো। আনন্দ আত্মহারা হয়েছে মানুষ। তবে আবারও দূর্যোগ আসলে বাঁধ ভেঙ্গে মানুষ আবারও দূর্ভোগে পড়বে। আরএ জন্য তারা টেকসই বাঁধ নির্মাণ চান যাতে তারা ভবিষ্যতে নিরাপদ বসবাস করত পারন।
ওই এলাকার মাসুম বিল্লাহ জানান, বাঁধটি ভঙএতে হয় যাওয়ার পর থেকে প্রতানগর ইউনিয়নের প্রতাপনগর, কুড়িকাওনিয়া, মাদারবাড়িয়া ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যতলা এই চারটি গ্রামের প্রায় ৬ হাজার মানুষ পানিবন্দী ছিলেন। অবশেষে আজ থেকে পানিমুক্ত হলো এ চারটি গ্রাম। এখন আর নদীর জোয়ারের পানি গ্রামে ঢুকছে না। ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধের স্থানটি জিও ব্যাগ দিয়ে আটকানো হয়েছে।

দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে বন্যতলা এলাকার বাঁধটি সংস্কার কার্যক্রম চলছে। ফেনী জেলার সালেহ আহম্মদ নামে এক ঠিকাদার বাঁধ মেরামত কাজটি বাস্তবায়ন করছেন। প্রকল্পের ব্যায় ৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। তবে এটি আরও বাড়বে বলে জানা গেছে।

দাতা সংস্থা জাইকার বন্যতলা বেড়িবাঁধ সংস্কার প্রকল্পের কনসালটেন্ট আদুল মালেক জানান, বন্যতলা এলাকায় ৩০০ ফিটের মত বাঁধ ভেঙ্গে গিয়েছিল। আজ থেকে আর লোকালয়ে পানি প্রবেশ করবে না মূল ভাঙ্গন পয়েন্টটি আটকে দেওয়া হয়েছে। বাঁধ মেরামত কাজটি এখনো শেষ হয়নি চলমান রয়েছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!