
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার নগরঘাটায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর হামলায় প্রতিদ্বদ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীর স্ত্রী, ভাই, বোনসহ ৫জন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। শনিবার বিকালে এঘটনা ঘটে। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় পাটকেলঘাটা থানায় মামলা হয়েছে।
আসন্ন নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আনারস প্রতীকের জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার বিকালে রাইস মিল মোড় এলাকায় ব্যানার টাঙ্গাছিলেন তার কর্মীরা। এসময় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরজ্জামান লিপু তাদেরকে হটিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পর গঙ্গারহাট মোড় এলাকায় কামরুজ্জামান লিপুর নেতৃত্ব অর্ধ-শতাধিক সস্ত্রাসী তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। সস্ত্রাসীদের লাটি ও রডের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়েছেন তার স্ত্রী নারগীস আক্তার, ভাই এনামুল সরদার, বোন সেলিনা খাতুন, চাচা সামাদ সরদার ও তার কর্মী কাপাসডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলাম। তাদের মধ্যে স্ত্রী নারগীস আক্তার ও ভাই এনামুল সরদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া তাদের দু’টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম।
তবে হামলার বিষয় কামরুজ্জামান লিপু জানান, ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে তারা নির্বাচনী প্রচারণায় ছিলেন। মোটরসাইকেলের বহরে গঙ্গারহাট মোড় এলাকায় পৌঁছালে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির মহিলারা তাদের ওপর অনবরত ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তার কর্মীরা তাদেরকে মার-ধর করে। তবে জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সদস্যদের রক্তাক্ত জখমের কথা অস্বীকার করেন লিপু।
পাটকেলঘাটা থানার ওসি কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ জানান, জাহাঙ্গীর আলমের চাচা ইসহাক সরদার বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলা নং-১১। এবিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।