সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিপিএম -সেবা পদকে ভূষিত হলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ  ‎ডুমুরিয়া থানা পুলিশের পৃথক অ ভি যা নে গ্রে ফ তা র-৩ কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হা ম লা দেয়াল ভা ঙ চু র, সিমেন্ট-রড লু টে র অ ভি যো গ শরতের বেতনা নদী ঘিরে আনন্দ-উৎসব: ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে দুকূল জুড়ে দর্শকের উপচে ভীড়  কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নজরুল বর্ষ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা সাতক্ষীরা প্রাণনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত এ্যাডহক কমিটির সংবর্ধনা সাতক্ষীরায় ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ উদ্বোধন দেবহাটা ইউসিসিএ নির্বাচনে সভাপতি পদে মিজানুর রহমানের জয় ১১৯ শিশু ফিরল বিদ্যালয়ে, শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা দেবহাটা উপজেলা তালায় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তুহিন গ্রেপ্তার

কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হা ম লা দেয়াল ভা ঙ চু র, সিমেন্ট-রড লু টে র অ ভি যো গ

✍️সেলিম হায়দার📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালিয়ে পাকা দেয়াল ভাঙচুর ও বিপুল পরিমাণ নির্মাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যশোরের কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ মাহমুদা বেগম (৩২)। এ ঘটনায় তিনি সাতজনের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলার ২৮ নম্বর ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার আরএস নামজারি খতিয়ান-১৮৪৮-এর আরএস ১৮৫০ নম্বর দাগে ৪৪ শতক জমির মধ্যে ১২ দশমিক ৫৭ শতক জমি ২০২৫ সালের ১০ জুলাই মোঃ মিজানুর রহমানের কাছ থেকে মাহমুদা বেগমের স্বামী মনিরুল ইসলামের নামে ক্রয় ও রেজিস্ট্রি করা হয়। এরপর থেকে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। সেখানে পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজও চলছিল।

মাহমুদা বেগমের অভিযোগ, জমিটি নিয়ে আসামিদের সঙ্গে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর ‘২৬) রাত সাড়ে ১২টার দিকে মফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমানসহ সাতজন লোহার রড, শাবল, কুড়াল ও হাতুড়ি নিয়ে জমিতে প্রবেশ করেন। পরে নির্মাণাধীন বাড়ির চারপাশের পাকা দেয়াল ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাড়িতে রাখা ৪৫ ব্যাগ সিমেন্ট ও ১ হাজার ১০০ কেজি রড নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, এসব নির্মাণসামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৫০ টাকা।

মাহমুদা বেগম আরও অভিযোগ করেন, পরদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসা করলে তাকে খুন-জখমসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় মোঃ মফিজুর রহমান, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ আরিয়ুল ইসলাম, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ আছহারুল ইসলাম, মোঃ জিন্নু সানা ও অপর এক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে।

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!