মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত জলবায়ু সচেতনতায় সাতক্ষীরায় ছাত্রীদের বৃক্ষরোপণ উৎসব: ‘একটি শিশু, একটি গাছ’ জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবেলা এবং প্রাণীকুলকে বাঁচাতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই- মুকুল তালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বি রু দ্ধে দু র্নী তি ও অর্থ আ ত্ম সা তে র অ ভি যো গ সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অ বৈ ধ স্থা প না উ চ্ছে দ ও রাস্তা প্রশস্তের দাবিতে মানববন্ধন সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয় থেকে অজগর সাপ উদ্ধার  সাতক্ষীরায় বিসমিল্লাহ ফুড প্রোডাক্টসকে অ ভি যা ন ,৫ হাজার টাকা জ রি মা না সাইবার টিম কর্তৃক সাতক্ষীরায় উদ্ধারকৃত মোবাইল ও টাকা হস্তান্তর সাতক্ষীরায় ‘খাদ্য ব্যবস্থা, উপকূলীয় বাস্তবতা ও এগ্রোইকোলজির পথ এবং ন্যায়সঙ্গত ও টকসই ভবিষ্যতের সন্ধান’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত বৃদ্ধা মাকে পি টি য়ে দাঁত ভা ঙা র অ ভি যো গে শিক্ষক ছেলের বি রু দ্ধে থানায় মা ম লা

তালায় পানিফল চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের, জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পানি ফলের চাষ

✍️সেলিম হায়দার🔏তালা প্রতিবেদক☑️
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯৬৬ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা তালা উপজেলায় ব্যাপক সম্ভাবনা থাকায় পতিত জমিতে পানিফল চাষ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকরা পানিফল চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সুস্বাদু এ ফলটি বাজার জাতকরণ খুবই সহজ। জলাবদ্ধ এলাকায় পতিত জমিতে খুব সহজেই চাষ করা যায় এফলটি।

অন্যদিকে, সুস্বাদু হওয়ায় এ অঞ্চলে ক্রেতাদের মাঝে বেড়েছে পানি ফলের জনপ্রিয়তা। তাছাড়া উপজেলা থেকে উৎপন্ন এ ফলটি এখন চলে যাচ্ছে জেলার বিভিন্ন বাজারে।

শুক্রবার সকালে খেত থেকে পানিফল তুলছিলেন তালা উপজেলার ঘোষনগর গ্রামের জয়ন্ত শেখর দেবনাথের ছেলে রবী শংকর দেবনাথ (৪৫)। তিনি বলেন, পানিফল চাষ করে এখন সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে। চলতি মৌসুমে সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে পানি ফলের চাষ করেছেন তিনি। পানি নিষ্কাশিত না হওয়ায় এ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। অন্য কৃষিকাজ করা সম্ভব হয় না। যার কারণে গত তিন বছর ধরে জলাবদ্ধ জমিতে পানিফল চাষ শুরু করেছি। এতে বাড়তি লাভ হচ্ছে। খরচ কম আবার উৎপাদন ও বিক্রি বেশি। সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে পানি ফল চাষ করেছি। এতে বিঘা প্রতি জমির হারি সহ খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। এখন প্রতিদিন প্রায় সাত মন পানিফল বিক্রয় করি। বর্তমানে প্রতি কেজি পানিফল বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা। বছর শেষে সবকিছু খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ২লক্ষ টাকা থাকে।

পানিফল তুলছেন শ্রমিক সালমা,হাছিনা, জাহিদা । তারা বলেন, আমরা এখানে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজ করি (চুক্তিভিত্তিক দিনমজুর)। প্রতি ঘন্টায় ৩০ টাকা করে মজুরি পায়। গাছ থেকে ফল তুলে নিয়ে সেগুলো পরিষ্কার করে দিতে হয়।

চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জলাশয়ে চাষ হওয়া পানিফল স্থানীয় চাষিদের কাছে ‘পানি শিঙাড়া’ নামেও পরিচিত। এ ফলের কোনো বীজ নেই। নিচু এলাকার বিল-জলাশয়ে মৌসুমি ফসল হিসেবে পানিফল চাষ হয়। এ ফল পানিতে ভরপুর এবং তাতে প্রচুর খনিজ উপাদান থাকে।

তালা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন জানান,পতিত জমিতে পানিফল চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। এই ফলের পুষ্টিমানও বেশি। উপজেলায় দুই হেক্টর জমিতে পানিফলের চাষ হয়েছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!