মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সরকারিভাবে আম সংগ্রহের উদ্বোধন মুকসুদপুরের জলিরপাড়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের  তালায় নাগরিক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নবাগত ইউএনওসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপি ইজ্জত উল্লাহর মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরায় দু র্নী তি প্র তি রো ধে করণীয় শীর্ষক” প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬ সাতক্ষীরায় এসিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য পৃথক বার্ন ইউনিট দাবি সাতক্ষীরায় পুলিশ কনস্টেবল পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শুরু পুরুষের সমান কাজ করেও অর্ধেক মজুরি মেলে সাতক্ষীরার উপকূলের নারী শ্রমিকদের অবশেষে শ্যামনগরের অ প হৃ ত পশু চিকিৎসক অনিমেষ পরমান্যের মু ক্তি, আ ট ক -৩

ইয়াস পরবর্তী সাতক্ষীরায় বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন অব্যাহত, জোয়ারের পানিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

রঘুনাথ খাঁ, জেষ্ঠ প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার চারটি উপজেলার ২৭টি ইউনিয়নের দেড় লক্ষাধিক মানুষ দুর্বিসহ জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ বাসস্থান ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। ইয়াস পরবর্তী নদীতে জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়াও ও ঝড়ো হাওয়ায় নতুন নতুন স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে ও জোয়ারের পানি বেড়িবাঁধে উপচে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হাসান খান জানান, ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের নয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এখানে আটটি পয়েন্ট ভাঙন দেখা দিলেও দু’টি স্থানের বাঁধ স্থানীয়রা বাঁধতে সক্ষম হয়েছে। অপর ছয়টি বাঁধ এই মুহুর্তে বাধা সম্ভব হচ্ছে না। ভাটার টানে নদীতে পানি না নামার আগেই জোয়ার শুরু হওয়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। শুক্রবার দুপুরের জোয়ারে প্রতাপনগর ইউনিয়ন সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়েছে। ফলে দুই শতাধিক পরিবার বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এ ছাড়াও গত ২৭ ও ২৮ মে যথাক্রমে খাজরা ও নাংলায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙলেও তা বেঁধে ফেলা হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের হাদদ্দহ দক্ষিণপাড়ায় রহিমের বাড়ির সামনে ২৭ মে ইছামতী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। স্থানীয়রা ওই বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে ভাটা শেষ না হতেই জোয়ার শুরু হওয়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। স্বাধীনতা পরবর্তী এই প্রথম নদীভাঙনে মথুরেশপুরের সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজার গিফারী বলেন, ইয়াসের প্রভাবে এ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। নয়টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ সংস্কার না করতে পারায় প্রতিদিন জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢোকা অব্যহত রয়েছে। এমনকি সুন্দরবনের ভাটার পানি না নামার আগেই জোয়ার শুরু হওয়ায় জীববচিত্র রয়েছে হুমকির মুখে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের জানান, জোয়ারের চাপ থাকা, ভাঙন কবলিত স্থানের পাশে মাটি না থাকা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় বাঁধ সংস্কারের কাজে বিলম্বিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, পানিবন্দি মানুষের খাবার ও চিকিৎসার সব ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জোয়ারের তীব্রতা কমে গেলে বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!