“আছিয়া, তোমার জন্য এই আগুন” আছিয়া, তোমার রক্ত মিশে গেছে এই মাটির গভীরে, যেখানে ফসল ওঠে, কিন্তু ন্যায় উঠে না, যেখানে সূর্য ওঠে, কিন্তু সত্যের আলো ফোটে না। তোমার আর্তনাদ
তবু আমি অপেক্ষায় রইলাম কেউ কখনও ডাকেনি— আমার নামে ভোরের পাখির মতো কেউ জাগেনি অথবা সন্ধ্যার ছায়ায় আমাকে ভেবে গোধূলির আকাশ রক্তাক্ত করেনি একবারও। আমি কতদিন হেঁটেছি নদীর ধারে, একলা
“নীল দূরত্বে হারিয়ে যাই” আমি সব সময়েই ভীড়ের মাঝে, তবুও একা—একেবারে একা! সন্ধ্যার পর নিউমার্কেটের আড্ডা শেষে, কেউ ফেরে ঘরে কেউ নামে পথে! আর আমি—আকাশের দিকে তাকিয়ে উত্তর খুঁজি কোনো
ভুল মানুষের শহর আধা জীবন পেরিয়ে বুঝলাম— আমি আসলে কখনোই মানুষ চিনতে পারিনি। প্রতিবার ভুল মানুষকেই আপন ভেবেছি, আর তারা নিখুঁতভাবে প্রমাণ করেছে— আমি ছিলাম কেবলই এক অযাচিত উপস্থিতি। যাদের
নীল আঁধারে ডুবে যাই তুমি কি জানো, আমি কেমন করে রাতের গহীনে একা হয়ে যাই? তোমার নাম কুয়াশার মতো গলির মোড়ে অদৃশ্য বাতাসে হারিয়ে যায়। তুমি না থাকলে, শহরটা কেমন
নীল আঁধারে ডুবে যাই তুমি কি জানো, আমি কেমন করে রাতের গহীনে একা হয়ে যাই? তোমার নাম কুয়াশার মতো গলির মোড়ে অদৃশ্য বাতাসে হারিয়ে যায়। তুমি না থাকলে, শহরটা কেমন
শেষ ধুলোর পথ সময়ের সাথে বয়স বাড়ছে, আর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে বুকের ভেতর— একটা কিছু খসে পড়ে প্রতিদিন, অদৃশ্য পাখির পালকের মতো শূন্যে ভাসে কোথাও হারিয়ে যায়। সন্ধ্যার ট্রেন জানালায়
অপার্থিব গোলাপ গোলাপ ফুটেছে—কিন্তু কি লাভ? তার গন্ধে যদি বিষাদ ছড়ায় অথবা নিঃসঙ্গ দুপুরের রোদে তার রং ঝরে পড়ে নিঃশব্দে! তুমি কি জানো, চুম্বন মানেই শুধু ঠোঁটের ভীড় নয়— কখনো
দূরত্বের সংলাপ তোমার নাম উচ্চারণ করি না, তবু শব্দেরা জানে, ভোরের শিশিরে লুকানো থাকে এক নিঃশব্দ আহ্বান। তোমার ছোঁয়া পাই না, তবু হাওয়ার ভাঁজে আঙুল রেখে অনুভব করি—তুমিও কি ঠিক
তুমি এসেছিলে তুমি এসেছিলে এক সন্ধ্যার বাতাসে, আলতো কুয়াশা মেখে— একটি গোধূলির দীর্ঘশ্বাসে ভিজে, নরম আলোয় ছুঁয়ে দিলে আমার চোখের ভেতর প্রাচীন শঙ্খের মতো নিঃসঙ্গতা। আমি জানতাম না তখন— তোমার