
“সিডও সনদের ধারা ২এবং ১৬.১.(গ) থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহার কর নারীর নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় সম্পদ-সম্পত্তিতে সমান অধিকার নিশ্চিত কর” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখা কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক সিডও দিবস উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ‘২৬) বিকালে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সা্ধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না দত্ত।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রুপা মিত্র, অর্থ সম্পাদক হাফিজা খাতুন, ব্রাঞ্চ এক্রিকিউটিভ মোঃ মফিজুল ইসলাম সহ জেলা ও পাড়া কমিটির নেত্রীবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তব্যে বলেন- নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৯ সালের ১৮ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারন পরিষদে সিডও সনদ গৃহীত হয়। ১৯৮১ সালের ৩রা সেপ্টম্বর থেকে সনদটি কার্যকর হতে শুরু করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। ১ম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা নিশ্চিত করে। পরের ১৪টি ধারা ব্যক্ত করে কিভাবে এগুলো বিলোপ করা যায়। সিডও জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত ও ঘোষিত সনদ। ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারন পরিষদে এ সনদ ঘোষনা করা হয় এবং ১৯৮১ সালে তা কার্যকর হয়। এর মূল বিষয় হলো নারীর প্রতি সকর প্রকার বৈষম্য বিলোপ ও দূরীকরণ। যেখানে রাজনৈতিক,সামাজিক, পারিবারিক সব ক্ষেত্রে নারীর মানবাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। এটি আইনগত ভিত্তি নিয়ে একটি কনভেনশন আকারে রুপ লাভ করেছে। এ সনদটি মূলত তিনটি প্রেক্ষিত থেকে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেয়।