শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা সদরের বিডিএফ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক হাফিজের ২৭তম জন্মদিন উদযাপন  সাতাশ বছরের শিক্ষকতা জীবন থেকে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় নিলেন অনুজিত কুমার মন্ডল  কালিগঞ্জে জমি নিয়ে বি রো ধ – মা ও ছেলেকে পি টি য়ে জ খ ম করেছে প্র তি প ক্ষ রা লেখা পড়া মেধার বিকাশ ঘটায় আর খেলা-ধূলা শরীর ও মনকে সুস্থ্য রাখে-প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল আয়েনউদ্দীন মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদে দোয়া অনুষ্ঠিত দেবহাটার সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা দেবহাটায় এমআর ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে এ্যাডভোকেসী সভা সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেলের মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে বিজিবির বিশেষ কর্মসূচি তালায় শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধ টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দেশ টাইমর্স’ নিজস্ব প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুল ইসলাম’র জন্মদিনে শুভেচ্ছা

কলারোয়ায় পিতা হত্যার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার কলারোয়ার দেয়াড়া ইউনিয়নের মাঠপাড়া গ্রামের কৃষক আমজেদ গাজী হত্যার ঘটনায় থানায় দেওয়া এজাহারে জোরপূর্বক আমার কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এজাহারে যেসব কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা অনেকাংশ অসত্য। কলারোয়া থানার এসআই সোহরাব হোসেন আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এই এজাহারে সই করিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা জানান, নিহত আমজেদ গাজীর ছেলে সুমন হোসেন। এসময় তার পরিবারের সদস্য লাভলু গাজী, শফিকুল ইসলাম, সোহেল রানা, ইকরাম হোসেন, জনাব আলী, সাত্তার গাজী, নূরজাহান, হালিমা, হাসিনা, ফাতেমা, আক্তার সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সুমন হোসেন বলেন, গত ১২ জানুয়ারি তার বাবা আমজেদ গাজী মামলাভূক্ত জমিতে চাষ করার জন্য গেলে তাতে বাধা দেন তার চাচা আনসার গাজী ও তার লোকজন। এসময় আনসার ও তার লোকজনের হামলায় অনেকেই আহত হন। এক পর্যায় আনসার গাজীর বাঁশের লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার বাবা আমজেদ গাজী মারা যান।

সুমন হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মামলা করার জন্য তিনি কলারোয়া থানায় যান। তাকে সেখানে ৩-৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। পরে রাতে এসআই সোহরাব একটি এজাহার প্রস্তুত করে তাকে স্বাক্ষর করতে বললে তিনি তা পড়ে জানতে পারেন এজাহারে সঠিক তথ্য নেই এবং ইন্ধনদাতা আলমগীর ও লতিফ দফাদারের নামও নেই তাতে। এর প্রতিবাদ করায় দারোগা তাকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘বেশী বুঝলে সমস্যা আছে। আর যদি সেই না করিস তবে তাকেও ঝুলিয়ে দেবো। আমার নাম সোহরাব দারোগা’।

সুমন হোসেন আরও বলেন, দারোগার ভয়ে আমি সই করতে বাধ্য হই। পরে আমি এ বিষয়টি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানাই। পরদিন দারোগা সোহরাব সুমন হোসেনকে ফের ডেকে তার বাসায় দেখা করতে বলেন। বাসায় দেখা করতে গেলে তিনি তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে বলেন, ‘তুই একা আসবি, আবার এসব দালাল সাথে এনেছিস কেন?। সুমন হোসেন বলেন, এরা সবাই আমার সাক্ষী। দারোগা তার জবাবে বলেন, ‘বেশী বাড়াবাড়ি করলে সবকটাকে একসাথে ঝুলিয়ে দেবো। কারন তাদের স্থানীয় নেতাগোতা, ওসি ও এসপির নির্দেশেই সব করেছি’।

সুমন হোসেন বলেন, বাবাকে হারিয়ে পুলিশের এই নিষ্ঠুর আচরনের মুখে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন। তিনি ওই এজাহার পরিবর্তন কর নতুন কর এজাহার লেখার দাবি জানিয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষন করেন। সংবাদ সম্মেলনে সুমন হোসেন আরও বলেন, হত্যাকারী আনসার ও তার লোকজন এখন বলে বেড়াচ্ছা, ‘দেখি মামলা করে কি করিস, তোদের পুরো পরিবারের ঘরবাড়ি জ্বালিয় দেবো।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক সোহরাব হোসেন জানান, ঘটনার বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এজাহারটি লেখা হয়েছে। এটি একটি হত্যাকান্ড উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করার ঘটনা সত্য নয়। তবে আমজদ গাজীর ওপর সস্ত্রাসীরা হামলা করেছিল। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আনসার গাজীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বি: দ্র: প্রতিবেদনটি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ই-মেল থেকে প্রেরণকৃত।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!