
সাতক্ষীরার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’ এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হবে।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানায়, নিয়োগ কার্যক্রম নিয়োগে বিধি অনুযায়ী, মেধার ভিত্তিতে এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রস্তুতসহ যাবতীয় কাজ সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ কঠোর নজরদারি এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করছে। মৌখিক পরীক্ষার পূর্ব প্রার্থীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিচ্ছেন। কাগজপত্রর মধ্যে রয়েছে লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, অনলাইন আবেদনের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদপত্র ও নম্বরফর্দের মূল কপি, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ পৌরসভার মেয়র কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জমাকৃত কাগজপত্রের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র। এছাড়া কোটাভিত্তিক প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য সনদপত্র যেমন মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, বীরাঙ্গনা, শারীরিক প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ এবং ক্ষুদ্র ন-গোষ্ঠীর সনদও জমা দিতে হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, “পরীক্ষার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। প্রার্থীদর সতর্কভাবে নির্দেশনা মেনে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া প্রয়োজন।” এবারের মৌখিক পরীক্ষা জেলার আশাশুনি, শ্যামনগর, কালীগঞ্জ, তালা, কলারোয়া, দেবহাটা ও সদর উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে এবং প্রতিদিন নিয়মিতভাবে চলবে। জেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সকল প্রার্থীর স্বচ্ছ, নিরাপদ ও নিরপেক্ষ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার বলেন, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম নিয়োগ বিধি অনুযায়ী, মেধার ভিত্তিতে এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা হয়। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রস্তুতসহ যাবতীয় কাজ সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন করা হছ। নিয়াগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন এবং চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশসহ সার্বিক কার্যক্রম জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। অতএব, প্রতারক চক্রের দ্বারা প্রলুব্ধ হয় কোন প্রকার অর্থ লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করেছি। এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”