শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সাতক্ষীরার দায়িত্ব পাওয়ায় আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাড: আকবর আলীর অভিনন্দন সাতক্ষীরার দায়িত্ব পাওয়ায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মো. আব্দুর রঊফ এঁর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন দেবহাটায় যাত্রীবাহি বাস ও মোটর সাইকেলের মু খো মু খি সং ঘ র্ষ, নি হ ত-১ ডুমুরিয়ায় সাংসদ লবি’র সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তালা সদর ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ তালায় উপজেলা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় সভা কালিগঞ্জের নাজিমগঞ্জ বাজারে ডাস্টবিন বিতরণ  ডুমুরিয়ার আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত  কালিগঞ্জের পানিয়া আনসার ও ভিডিপি ক্লাবে ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত সাতক্ষীরায় মি থ্যে তথ্য উপস্থপান করে পরিবারর বি রু দ্ধে বি ভ্রা ন্ত ছড়ানোর প্র তি বা দে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) নির্দেশে গঠিত বিশেষ টিম সরেজমিনে কালিগঞ্জের সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে

✍️রঘুনাথ খাঁ📝 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল কালীবাড়ি বাজারে সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবীরের সঙ্গে সুনীল মণ্ডলের বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শণ করেছেন জেলা প্রশাসনের একটি বিশেষ টিম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তারা মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ‘২৬) সুনীল মণ্ডল পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা, তার মেয়ে চম্পা মণ্ডলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করাসহ জমির অবস্থান সংক্রান্ত মাপ জরিপ করেন।

এদিকে পরিদর্শণ টিম সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে গেলে সেখানে আগে থেকে উপস্থিত থাকা চম্পা মণ্ডলকে নির্যাতনকারি বালাপোতা গ্রামের জালালউদ্দিনের ছেলে নুরুজ্জামান, চম্পাফুলের হাতেম ও শহীদুল উপস্থিত থাকায় ক্ষুব্ধ হন সুনীল মণ্ডলের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা -কর্মচারি, জেলা বাসদের সমন্বায়ক নিত্যানন্দ সরকার, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ পদপ্রার্থী অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, সাতক্ষীরা-৩ আসনের বিএমজেপি প্রার্থী রুবেল হোসেন, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউণ্ডেশনের জেলা কমিটির সদস্য আলী নূর খান বাবুল, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, আইনজীবী অ্যাড. জমিনি কান্ত সরকার, অ্যাড. সুনীল ঘোষের কাছে স্থানীয়রা সুনীল মণ্ডলের পরিবারের উপর সামাদ গাজীর সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলা ও নির্যাতন ছাড়াও রাতের আঁধারে হুমকি ধামকি দেওয়ার কথা তুলে ধরেন।

মাধবী মণ্ডল জানান, জালজালিয়াতির মাধ্যমে বিআরএস ১২৩ ও ১৩০ দাগে তাদের দুই বিঘা জমি আলমগীর কবীর নিজ নামে নামপত্তন করে নিলে তিনি আপত্তি দেন কালিগঞ্জ সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসে। তার আপত্তি খারিজ করে দিলে তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) কাছে আপিল করেন। আপিল মামলা চলাকালিন সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবীর ওই দুই বিঘা জমিসহ তার চার বিঘারও বেশি জমি গত বছরের ১৭ আগষ্ট থেকে ২৮ আগষ্ট পর্যন্ত বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে নিয়ে তিন লক্ষাধিক টাকার গাছপালা কেটে লুটপাট করেন। পরবর্তীতে ওই বেড়া অপসারন করা হয়। ২৮ আগষ্ট আদালত ওই জমির উপর স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশ দিলে চম্পাফুল ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার প্রতিপক্ষ সামাদ গাজী ও আলমগীর কবীরকে সেখানে কোন কাজ না করার জন্য নির্দেশ দেন। ১৯ নভেম্বর তার স্বামী সুনীল মণ্ডল মারা যান। সামাদ গাজী ও আলমগীর কবীরের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা আদালতের স্থিতাবস্থা জারির আদেশ ভঙ্গ করে ১১ ও ১২ ডিসেম্বর কাঁটাতারের বেড়া, প্রাচীর ও বসতবাড়ির চারিধারে চারটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে। ফলে তাদের পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পূর্ব দিকে তাদের প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়। গত ৭ জানুয়ারি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সিসি ক্যামেরা, প্রাচীর ও কাটা তারের বেড়া সরানোর নির্দেশ পেয়েও সিসি ক্যামেরা সরিয়ে নিলেও কঁাচা তারের বেড়া ও প্রাচীর সরিয়ে নেয়নি সামাদ গাজী ও আলমগীর কবীর।

একপর্যায়ে ইটের প্রাচীরের একাংশ ভেঙে মন্দির ও টিউবওয়েলে যাতায়াত শুরু করলে সামাদ গাজী, তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নুরুজ্জামান, হাতেম ও শহীদুল মেয়ে চম্পাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে। বিষয়টি আদালতকে অবহিত করা হয়। একপর্যায়ে গত ১৪ জানুয়ারি দু’পক্ষের মধ্যে উদ্ভুত পরিস্থিতি জানতে আদালতে একটি বিশেষ টিম গঠণের সিদ্ধান্ত নেন।

সে অনুযায়ি মঙ্গলবার ওই টিমের সদস্য হিসেবে কালিগঞ্জ সহকারি কমিশনার (ভূমি) মঈনউদ্দিন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) আদালতের পেশকার আলী আযম. সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসের সার্ভেয়র তারেক, শ্যামনগর সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসের সার্ভেয়র শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন মঙ্গলবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে এসে মাপ জরিপসহ বিভিন্ন তথ্য নেন। যদিও আলী আযম তাদের(মাধবী) কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য ও কাগজপত্র না নিয়েই তড়িঘড়ি করে চলে যান। এতে যথাযথ প্রতিবেদন করা সম্ভব হবে না বলে তিনি দাবি করেন। এ সময় সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবীর বিশেষ টিমের সঙ্গে দেখা করেননি।

এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ সহকারি কমিশনার (ভূমি) মঈনউদ্দিন খান বলেন, তিনি একটি বিশেষ অভিযানে রয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে অবহিত করতে বলেন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পেশকার আলী আযম বলেন, আগামিকাল বুধবার সকাল ১০টায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তার কাছে দিতে হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!