সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুন্দরবনে মু ক্তি প ণে র দা বি তে দুই বনজীবী অ প হ র ণ তালায় ৬ পিস ই য়া বা সহ যুবক আ ট ক সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকা মু ক্তি প ণে র দাবিতে অনিমেষ পরমান্য নামের এক পশু চিকিৎসককে অ প হ র ণ বাস্তুহারা দলের তালা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন: লিটন আহবায়ক, মফিজুল সদস্য সচিব গাবুরায় সড়কের ওপর ঘেরের মাটি: চার হাজার মানুষের চলাচলের পথ এখন ‘খাল’ সাতক্ষীরা ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রাণসায়ের খাল রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন দেবহাটার সজল নবজীবনে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স এন্ড মিডওয়াইফারি ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ সারাদেশের কা রা ব ন্দি সাংবাদিকদের মু ক্তি র দা বি তে সাতক্ষীরায় অ ব স্থা ন কর্মসূচি

উপানুষ্ঠানিক স্কুল সমাজের অবহেলিত শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে 

✍️সেলিম হায়দার📝তালা প্রতিবেদক☑️
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

সাসের উপানুষ্ঠানিক স্কুলের শিক্ষার্থী মারিয়া (১০), তার পিতা বালিয়া গ্রামের রাজ্জাক গাজী ও মাতা আসমা বেগম, বছরের ৩/৪ মাস ইটের ভাটায় শ্রমিক হিসাবে বাইরে কাজ করতে যেতে হয়। এতদিন মারিয়া অক্ষরজ্ঞানহীন ছিল। বর্তমানে সেও বালিয়া উপানুষ্ঠানিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে এখন খবরের কাগজ পড়তে পারে।  

আরেক শিক্ষার্থী গোলাম রসুল (১১), সে মাছ ধরা কাজের পাশাপাশি উপানুষ্ঠানিক স্কুলে লেখাপড়া করছে। কাজ করার পাশাপাশি সে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। বালিয়া উপানুষ্ঠানিক স্কুল থেকে পড়াশুনা শেষে আবার মূল ধারার স্কুলে ফিরে যেতে চাই। ঝরেপড়া ছেলে লেখাপড়ায় ফিরে আসায় দরিদ্র পিতা ইসহাক সরদার ও মাতা তাছলিমা বেগম অনেক খুশি।
বালিয়া বটতলা উপানুষ্ঠানিক স্কুলের শিক্ষক তাছলিমা খাতুন বলেন, রনি, মারিয়া, গোলাম রসুল সহ অনেকেই ভর্তি হওয়ার পর থেকে নিয়মিত স্কুলে আসছে। লেখাপড়ায়ও যথেষ্ট ভালো তারা। আবার স্কুলে  ভর্তি হতে পেরে শিক্ষার্থী গোলাম রসুল অনেক খুশি। সে মাছের ঘেরে আর কাজ করতে চায় না, নিয়মিত স্কুলে যেতে চায়।

সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস) এর জেলা প্রকল্প প্রধান খান মোঃ শাহ আলম বলেন, ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সের ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনা সহ কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকায়ন করায় এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। সাতক্ষীরা জেলার ৬ টি উপজেলায় ৪২০টি উপানুষ্ঠানিক বিদ্যালয়ে ১২,৬০০ (বার হাজার ছয়শত) জন শিক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এরমধ্যে সাতক্ষীরা সদরে ৭৭টি, তালা, কলারোয়া ও কালিগঞ্জে ৭০ টি করে, আশাশুনিতে ৮৩ টি এবং দেবহাটায় ৫০টি স্কুল রয়েছে।
সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা সাস’র নির্বাহী পরিচালক মেখ ইমান আলী জানান, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর  নির্দেশনা অনুযায়ী বিগত দিনে পিএলসিএইচডি বাস্তবায়ন করে সারাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে, বিদেশ যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো। এবারও  স্কুল বহির্ভূত অর্থাৎ ঝরেপড়া শিশুদের সঠিক অক্ষরজ্ঞান প্রদান সহ  কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আমারাই দেশের ১ম হবো। তিনি আরও বলেন, উপানুষ্ঠানিক অধিদপ্তরের মনিটরিং এ ৬ মাসের বেতন প্রদান সহ ৯৭% উপস্থিতি পেয়ে কর্তৃপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার বলেন, এলাকার ঝরেপড়া, শিক্ষা বিমুখ শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সাস । আমি তাদের অনেক স্কুলে সরেজমিন গিয়েছি, নিয়োগ বা প্রশিক্ষনে অংশ নিয়েছি। সাসের উপানুষ্ঠানিক কার্যক্রম সুন্দরভাবে চলছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!