বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‎ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎ স্পৃ ষ্টে বৃদ্ধার মৃ ত্যু  ডু মু রি য়া য় স্ত্রী র উ প র অ ভি মা ন ক রে স্বা মী র আ ত্ম হ ত্যা  গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের নবীনবরণে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সং ঘ র্ষে নি হ ত-২ কালিগঞ্জ সিনিঃ সিটিজেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এসিল্যান্ড অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি ‎সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন: সভাপতি রাসেল, সাধারন সম্পাদক গাজী বাবু সাতক্ষীরায় ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের বদলি নিষ্পত্তির নির্দেশ ‎সাতক্ষীরায় ট্রাক্টরের আদায় করা ভাড়ার টাকা চাওয়ায় চালক কর্তৃক মালিক ও তার ভাইকে কু পি য়ে গু রু ত র জ খ ম 

কলারোয়ার ফোর মার্ডারে আদালতে সিআইডি কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ

রঘুনাথ খাঁ, জেষ্ঠ প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৪১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার কলারোয়ার হেলাতলা ইউনিয়নের খলিসা গ্রামে একই পরিবারের দু’ নাবালক সন্তানসহ তাদের বাবা ও মাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আদালত সাক্ষী দিয়েছেন জব্দ তালিকার সাক্ষী সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান তার জবানবন্দি গ্রহণ করে ২ মার্চ পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেছেন। এ নিয়ে এ মামলায় ১২জন সাক্ষী দিলেন।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলিষা গ্রামের শাহজাহান ডাক্তারের ছোট ছেলে রায়হানুর রহমান (৩৬) বেকারত্বের কারণে বড় ভাই শাহীনুরের সংসারে সে খাওয়া দাওয়া করতো। শারীরিক অসুস্তার কারণে কোন কাজ না করায় গত বছরের ১০ জানুয়ারি স্ত্রী তালাক দেয় রায়হানুর রহমানকে। সংসার টাকা দিতে না পারায় শাহীনুরের স্ত্রী দেবর রায়হানুরকে মাঝে মাঝে গালমন্দ করতো। এরই জের ধরে গত বছরের ১৪ অক্টোবর রাতে ভাই মোঃ শাহীনুর রহমান (৪০) ভাবী সাবিনা খাতুন(৩০), তাদের ছেলে ব্রজবক্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র সিয়াম হোসেন মাহী (১০) ও মেয়ে একই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী তাসমিন সুলতানাকে (৮) কোমল পানীয় এর সাথে ঘুমের বড়ি খাওয়ায়। পরদিন ১৫ অক্টোবর ভোর চারটার দিকে হাত ও পা বেঁধে তাদেরকে একে একে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

হত্যাকারীরা ওই পরিবারের ৪ মাসের শিশু মারিয়াকে হত্যা না করে লাশের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় নিহত শাহীনুরের শ্বাশুড়ি কলারোয়া উপজেলার উফাপুর গ্রামের রাশেদ গাজীর স্ত্রী ময়না খাতুন বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে সিআইডি সদিগ্ধ আসামী হিসেবে শাহীনুরের ভাই রায়হানুর রহমান, একই গ্রামের রাজ্জাক দালাল, আব্দুল মালেক ও ধানঘরা গ্রামের আসাদুল সরদারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত রায়হানুরকে রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ২১ অক্টোবর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম বিলাস মন্ডলের কাছে একাই হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। নিহত পরিবারে বেঁচে থাকা একমাত্র শিশু মারিয়া বর্তমানে হেলাতলা ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুনের কাছে বড় হচ্ছে। গত ২৪ নভেম্বর মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক শফিকুর রহমান আসামী রায়হানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে এ মামলায় ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠনের পর বাদি ময়না খাতুন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ বলেন, এ পর্যন্ত মামলার বাদি ময়না খাতুন, কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক ইসরাফিল হোসেন, তানিয়া খাতুন, আয়েশা খাতুন, আনিছুর রহমান, আব্দুল কাদের, হাফিজুল ইসলাম, হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, কনস্টেবল সোনিয়া আক্তার, কনস্টেবল মোঃ বখতিয়ার হোসেন, কনস্টেবল সিরাজুম মনীর ও জব্দ তালিকার সাক্ষী সিআইডি’র সাতক্ষীরার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম। তবে আদালতে এসেও সাক্ষী দিতে পারেনি ইউপি সদস্য আব্দুস সাত্তার ও আলমগীর হোসেন। ২ মার্চ পাবলিক সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি পরিচালনা করেন জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ। আসামীপক্ষ মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাড. মোঃ ফরহাদ হোসেন ও অ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান জগলু।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!