
সাতক্ষীরার দেবহাটার নাজিরেরঘের গ্রামে আবাসিক এলাকায় পোল্ট্রি মুরগী ও ডিমের মুরগী পুষে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে ঘের ও পুকুরের পানিতে বজ্য ফেলে পরিবেশ দুষণ এবং ডেঙ্গু, মশা ও মাছির উপদ্রব বাড়ানো অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গত ১৫/০৪/২৬ তারিখে নাজিরেরঘের গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে কবির আহমেদ বাদি হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরা অফিসে অভিযোগ দায়ের করেছেন। বাদির অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ২নং পারুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের নাজিরের ঘের গ্রামের এরশাদ আলী ও তার স্ত্রী পোল্ট্রি মুরগী ও ডিমের মুরগীর চাষ করে আসছে। তাদের খামারের মুরগির বিষ্টা পুকুরে ফেলে ভরাট করা হচ্ছে। এতে ব্যাপক দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি খামার অব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ ব্যাপক ভাবে দূর্ষিত হচ্ছে। অভিযো আছে তিনি দীর্ঘদিন যাবত কোন ধরনের ট্রেড লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মুরগির অবৈধ খামার গড়ে তুলেছেন।
এছাড়া তিনি অসুস্থ ও মৃত মুরগি মাটিতে না পুতে সরাসরি পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দেয়ার কারণে এলাকার গৃহপালিত পশু পাখির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের রোগ। এছাড়া তিনি মুরগির বিষ্ঠা উন্মুক্তভাবে লোকালয়ের ভেতরের পুকুরে ফেলে ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করছেন। এ ধরনের কার্যক্রমের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দুর্গন্ধের কারণে তারা বাড়িতে বসবাস করতে পারছেন না। এমনকি বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে গেলে সে তাদেরকে নানা ধরনের গালিগালাজ করে এমনকি নানাভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করা হয়।
এদিকে গত শুক্রবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে। বাদির সাথে অভিযুক্তদের আপোষ সমোঝতা করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীরা স্থায়ী সমাধানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।