মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবহাটায় মুক্তিযোদ্ধা আবাসনের লটারি সম্পন্ন তালায় মহান্দী-কাশিমনগর ভায়া খলিলনগর সড়কের পুনঃসংস্কার কাজের উদ্বোধন শ্যামনগরে ৫ লাখ টাকা চাঁ দা না দেওয়ায় মাছের ঘের দ খ ল ও লু ট পা টে র অ ভি যো গ পাটকেলঘাটায় জামিয়া আরাবিয়া সিদ্দিকিয়া কওমিয়া মাদ্রাসার নতুন উপদেষ্টা ও কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার ২০২৬-২৭ রোটা বর্ষে নতুন সভাপতি কাজল ও ক্লাব সেক্রেটারি নাজমুল সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় বিনামূল্যে বীজ, স্যার ও চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত জমির দ খ ল পেতে আদালত পাড়ায় ঘু র ছে ন কালিগঞ্জের অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধ গোপালগঞ্জে প্রশাসনের অ ভি যা নে ভেকু মেশিন জ ব্দ, নিয়মিত মা ম লা দা য়ে রে র নি র্দে শ সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

জাওয়াদের প্রভাবে জেলায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড, কমছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব

✍️মোঃ আজিজুল ইসলাম ইমরান🔏 নিজস্ব প্রতিবেদক ☑️
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা আবশেষে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবমুক্ত হতে শুরু করেছে । টানা দুই দিন ধরে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পর রোববার রাতভর হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে জেলার উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতির দিকে।

সাতক্ষীরা জেলা আবহাওয়া অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, রাতভর বৃষ্টিপাত হয়েছে। এখনো মাঝে মধ্যে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। রাতে জেলায় সর্বোচ্চ ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এখন থেকে আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতির দিকে রয়েছে। সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবমুক্ত হতে শুরু করেছে।

সারাদিনের বৃষ্টিতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। বিশেষ করে ভেন,রিকশা, ও দিনমজুর মানুষের বাড়ি থেকে বের হতে পারেনি। শহরে সাধারন মানুষের উপস্থিতি ছিল খুবই কম।

এদিকে, জেলার উপকূলীয় নদ-নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙনের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। নদীর জোয়ারের পানি স্বাভাবিক রয়েছে। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের জানান, নদ-নদীর পানি বর্তমান পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও নদীর বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

কৃষিখাতেও কোনো ক্ষয়ক্ষতির হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখন আমন মৌসুম চলছে। জেলায় ৭২ শতাংশ ধান ইতোমধ্যে কাটা শেষ হয়েছে। উপকূলীয় আশাশুনি ও শ্যামনগরে কিছু আমন ধান কাটা বাকি থাকলেও ঝোড়ো হাওয়া না থাকায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!