খুলনার ডুমুরিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ সহ ৪জনকে আটক করা হয়েছে। আটকৃতদের প্রত্যেককে ভ্রাম্যমান সামারি ট্রায়ালে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।
অধিদপ্তর সূত্রে প্রকাশ, রবিবার (১৯ জুলাই ‘২৬) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত থানার বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়।
দুপুর ১২টার দিকে আটলিয়া ইউনিয়নের চাকুন্দিয়া গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনার পরিদর্শক সার্কেল (খ) মোঃ ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মৃত লালু শেখের ছেলে আব্দুল বারিক (৩৯) কে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। এসময় তার নিকট থেকে ১ পুরিয়া গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সময় একই গ্রামের কামরুল গাজীর স্ত্রী মোছাঃ জেসমিন নাহার সীমা (২৯) কে আটক করে তার নিকট থেকে ১০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অপর একটি অভিযানে নরনিয়া গ্রাম থেকে আনসার আলী গাজীর ছেলে আব্দুল হালিম গাজী এবং তার জামাই ফজলু সরদারের ছেলে মোঃ আমানুল্লাহ সরদার (৩৪) কে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। এসময় তাদের নিকট থেকে কয়েক পিস ইয়াবা ও কয়েক পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পরিদর্শক মোঃ ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে আরও যুক্ত ছিলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনা রেডিং পার্টির সদস্য উপ-পরিদর্শক মোছাম্মৎ জাহানারা খাতুন, সহকারী উপ-পরিদর্শক মোঃ আব্দুল হালিম সরদার, মোঃ জিল্লুর রহমান, সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। আটককৃতদের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোঃ ফরহাদ হোসেন ও উপ-পরিদর্শক মোছাম্মৎ জাহানারা খাতুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেওয়া হয়।
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অপূর্ব কুমার বালা এই সামারি ট্রায়াল পরিচালনা করেন। ট্রায়ালে জেসমিন নাহার সীমাকে এক বছর এবং বাকিদের প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।