বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স ড় ক দু র্ঘ ট না য় আ হ ত সাংবাদিক মাসুদ রানার সুস্থতা কামনা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের  গোবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের উদ্বোধন আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ টাকা ছাড়া কিছুই বোঝেন না শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী জাহিদ সম্প্রীতির সুতোয় গাঁথা কলারোয়ার মুরারিকাটি মেলা: লোকজ ঐতিহ্যের এক অনন্য উৎসব কালিগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক মৌ খামারিদের মাঝে বিনামূল্যে মৌ বাক্স ও রাণী মৌমাছি বিতরণ কলারোয়াতে তথ্য অধিকার আইন কর্মশালা মরহুম আনিছুর ও ডেভিড স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্লিস হসপিটাল চ্যাম্পিয়ন  কলারোয়ায় গ্রাম আদালতের সমন্বয় সভা ভোমরা ইউনিয়নে এমএসপি ও এমএনপি সদস্যের দ্বি- মাসিক সমন্ময় সভা অনুষ্ঠিত

টেকসই বাঁধ না থাকায় ইছামতি নদী গিলে খাচ্ছে বাংলাদেশের ভূখন্ড 

✍️মীর খায়রুল আলম📝দেবহাটা প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ ভারত দু দেশের সীমানায় বয়ে চলেছে ইছামতি নদী। জেলার কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ উপজেলার সীমানায় বয়ে চলেছে এই নদী। জেলার কয়েকটি বহমান নদীর মধ্যে এটি অন্যতম। তবে দেবহাটা উপজেলার বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে নদীটি। 
ইছামতি নদী অত্যান্ত খরা¯্রােত হওয়ায় প্রতিবছর দুর্বল বাঁধ ভেঙে সীমান্ত পাড়ের এলাকা প্লাবিত হয়। এমনকি ভাঙনের ফলে দেবহাটা সদর ইউনিয়নের রাজনগর ও চরদেবহাটা মৌজা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বিগত বছরগুলোতে ভাঙনের ফলে বন্যায় অসংখ্য গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে ফসলের খেত, মৎস্য ঘের, বসতবাড়ি ডুবে ব্যাপক ক্ষতিরমুখে পড়ে স্থানীয়রা। প্রতিবছর ভাঙন ঠেকাতে সংস্কারও হয়। কিন্তু টেকসই পদ্ধতি না হওয়ায় তেমন আশা দেখায় না।
টেকসই বাঁধ না থাকায় সীমান্ত সংলগ্ন খানজিয়া, নাংলা, নওয়াপাড়া, ছুটিপুর, বসন্তপুর, উপজেলা সদর, বিওপি, থানা ভবন, শীবনগর, সুশীলগাঁতী, চর-শ্রীপুর, ভাতশালা, কোমরপুর সহ বিভিন্ন গ্রামের জন সাধারণের দিন কাটে দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে।  
স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান, সেলিম হোসেন সহ কয়েকজন বলেন, সামনে বর্ষাকাল। তার আগে যদি ইছামতি নদীর বাঁধ রক্ষায় ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে আমাদের এলাকা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। দুর্বল বাঁধ পানির চাপে ভেঙে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা বিরাজ করছে।  
স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু তালেব বুলবুল বলেন, নদী ভেঙে আমাদের অনেক জমি বিলীন হয়ে গেছে। আমরা প্রতিবছর জমি হারাচ্ছি। সেই সাথে আমাদের থানা ও বিজিবি ক্যাম্প সহ পাশের এলাকার ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রæত কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, ভাঙনের ফলে ইছামতি নদীতে আমাদের দেশের ভূখন্ড হারিয়ে যাচ্ছে।  টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন মহলকে জানিয়েছি। প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা যাচ্ছে না।
সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, আমি সংসদ অধিবেশনে এলাকার সমস্যা তুলে ধরে সরকারের দৃষ্টিকার্ষণ করব। বরাদ্দ নিয়ে যাতে সীমান্তের ভূখন্ড রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। 

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!