শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি মোস্তফা ও সম্পাদক আব্দুর রহমান সাতক্ষীরার চার অগ্নিশিখা- সংগ্রাম, ত্যাগ আর বিপ্লবের ইতিহাস আগাম হিমসাগর হারবেস্টে প্রশ্ন? তালা কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যায়নে প্রশাসনের নীরবতা! সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা চেয়ারম্যান আঃ আলিমের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে তালায় খাল খনন কার্যক্রম শুরু শ্যামনগরে ঐতিহাসিক ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে ১০ ফুট লম্বা একটি গাঁ জা গাছ জ ব্দ দেবহাটায় ভগ্নিপতি কর্তৃক মি থ্যা মা ম লা য় হ য় রা নি র শি কা র শ্যালকের সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় বুশরা গ্রুপে জমাকৃত গ্রাহকদের সমুদয় টাকা ফেরত ও মি থ্যো অ প প্র চা রে র প্র তি বা দে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরায় চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত থাকবে ১৮ হাজার কোরবানীর পশু, ভা র তী য় গরু প্রবেশ ব ন্ধ থাকায় দেশি পশুর বাজারে সম্ভাবনা

✍️আব্দুর রহমান📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় কোরবানির পশুর সরবরাহ এবার চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৮ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ. এম. মান্নান কবীর।

তবে অতিরিক্ত সরবরাহ থাকায় অনেক খামারির মধ্যে লোকসানের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

খামারিরা জানান, গমের ভূষি, ভুট্টা, সয়াবিন খৈলসহ পশুখাদ্যের দাম বাড়লেও কোরবানির বাজারে প্রত্যাশিত দাম পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এতে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় ১২ হাজার ৮৯৪টি খামারে পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এসব খামারে ৪৯ হাজারের বেশি গরু, ৪৪ হাজারের বেশি ছাগল এবং ৬ হাজারের বেশি ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

তালা উপজেলার খামারি শামীম সরদার জানান, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার লাভের পরিমাণ কমে আসতে পারে। তবে ভারতের সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ বন্ধ থাকায় দেশি পশুর বাজার ভালো থাকার সম্ভাবনাও দেখছেন কেউ কেউ।
পাটকেলঘাটার খামারি প্রভাষ ঘোষ জানান, তার খামারে বড় আকারের দুটি গরু রয়েছে, যেগুলোর দাম প্রায় ৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বাজারে চাহিদা নিয়ে তিনি অনিশ্চয়তায় আছেন।

অন্যদিকে বকচরা গ্রামের খামারি আব্দুল আজিজ বলেন, মাত্র ছয় মাস আগে খামার শুরু করলেও বর্তমানে তার ১০টি গরু রয়েছে। দেশি ঘাস ও প্রাকৃতিক খাদ্যে পশু লালন করায় তিনি কিছুটা আশাবাদী।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ. এম. মান্নান কবীর বলেন, “চাহিদার তুলনায় এবছর প্রায় ১৮ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। তবে এতে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ গরু প্রবেশ বন্ধে কঠোর নজরদারি রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ২ থেকে ৩ শতাংশ বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে। ফলে দেশীয় খামারিরা ভালো বাজার পাওয়ার আশা করছেন।

তবে খামারি ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং বাজারে ক্রেতা কম থাকায় অনেকেই ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। দেশি পশুর উৎপাদন বাড়ায় এখন কোরবানির বাজারে বিদেশি পশুর ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে এসেছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দিক।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!