শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় নারী ব্যবসায়ি বীথিকা সাধু হ ত্যা: আরো একজন গ্রে প্তা র শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে বালু উ ত্তো ল ন করায় একজনের কা রা দ ন্ড, ৫০ হাজার টাকা জ রি মা না সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে মহান মে দিবস পালিত  সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত  ভু য়া সাংবাদিকদের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে মর্যাদা! দেবহাটায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা  সাতক্ষীরায় ৫ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও মোবাইল সরঞ্জাম জ ব্দ দেবহাটায় শ্রমিক দিবসে র‌্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ সাতক্ষীরায় মহান মে দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কর্মসূচি পালন সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ

দীর্ঘ ২০ বছর পর প্রভাংশু হত্যা রহস্য উদঘাটন!! দ্রুত বিচারের দাবিতে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন

কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার চাঞ্চল্যকর প্রভাংশু হত্যাকাণ্ডের রহস্য দীর্ঘ ২০ বছর পর উদঘাটিত হয়েছে।

শনিবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রভাংশুর পরিবারসহ কোটালীপাড়ার শতাধিক মানুষ গোপালগঞ্জ শহরের প্রেসক্লাবের সামনে হত্যাকারীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন পালন করেছে।

মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভিকটিমের বাবা প্রেমানন্দ বিশ্বাস, কাকা পুলিন বিশ্বাস, ভাই হিরণ্ময় বিশ্বাস, বোন ঝুনু বিশ্বাস, ভাতিজি রিক্তা বিশ্বাস, এলাকাবাসী সাগর বিশ্বাস, সুশীল বিশ্বাস ও মৃনাল বিশ্বাস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, আসামিরা উচ্চবিত্ত ও প্রভাবশালী হওয়ায় মামলাটিকে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ঝুলিয়ে রেখেছিলো।

অনেক দেরিতে হলেও চাঞ্চল্যকর এ ক্লু বিহীন হত্যা মামলাটির রহস্য উদঘাটন করায় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা। এখন তারা আসামিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করছেন।

জানা যায়, ২০০১ সালের ১৫ মার্চ গভীর রাতে কোটালীপাড়ার সিকির বাজারে “বাংলাদেশ মেডিকেল হল” নামক ওষুধের দোকানের কর্মচারী প্রভাংশু বিশ্বাস (৩৩) হত্যাকাণ্ডের পর দিন ১৬ মার্চ তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোটালীপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-০৬) দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে, কোটালীপাড়া থানা, সিআইডি, পিবিআই, মুকসুদপুর সার্কেল, জুডিসিয়াল তদন্ত ও গোপালগঞ্জ সদর সার্কেল এর ৭জন তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্লুলেস হত্যা মামলাটির তদন্ত করেন। সর্বশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন পিপিএম (বার) দু’জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেন এবং এ মামলার রহস্য উদঘাটন করে তিন জন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের চার বছর আগে থেকেই প্রভাংশু ওই দোকানের কর্মচারী ছিলেন। কর্মচারী থাকার সুবাদে দোকান মালিক সুধীর কুমার গৌতমের বাড়িতেই তার তিন বেলা খাওয়া-দাওয়া ও আসা-যাওয়া চলত। এ সুবাদে তার সঙ্গে দোকান মালিকের স্ত্রী বা বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে দোকান মালিক সুধীর কুমার গৌতম তার বেয়াই দেবাশীষ বিশারদ ও আরেক আসামি সুশীল দাসকে নিয়ে গত ২০০১ সালের ১৫ মার্চ গভীর রাতে দোকানের মধ্যেই প্রভাংশুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে কিছু ঔষধপত্র এলোমেলো ছিটিয়ে রাখে এবং অজ্ঞাত চোর বা ডাকাত তাকে হত্যা করেছে বলে প্রচার করে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!