শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে মহান মে দিবস পালিত  সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত  ভু য়া সাংবাদিকদের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে মর্যাদা! দেবহাটায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা  সাতক্ষীরায় ৫ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও মোবাইল সরঞ্জাম জ ব্দ দেবহাটায় শ্রমিক দিবসে র‌্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ সাতক্ষীরায় মহান মে দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কর্মসূচি পালন সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ দেবহাটার ডিআরআরএ এর উদ্যোগে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ উদ্বোধন সাতক্ষীরায় হরিজন জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবী ‎

মানুষের জন্য কাজ করতে প্রয়োজন অদৈম্য ইচ্ছাশক্তি – স্বেচ্ছাসেবী কর্মী এম আজমানুর রহমান

✍️কে এম সাইফুর রহমান🔏গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিবেদক☑️
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪২১ বার পড়া হয়েছে

‘মানুষ মানুষের জন্য’- এ উক্তিটি বেশির ভাগ সময়ই মনে করিয়ে দেয় আমাদের ক্লান্তিলগ্নে। বরাবরের মতোই আমাদের আবারো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে মহামারী করোনার এই অন্ধকার সময়ে। ইতিমধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়েছে দেশের অধিকাংশ মানুষ। এখন তারা একমুঠো ভাতের জন্য মানুষের দাড়ে দাড়ে ঘুড়ছে। অন্যদিকে এই অদৃশ্য শত্রুর ছবলে আক্রান্ত হলে ভয়ে নিজের পিতা-মাতাকে ফেলে যাচ্ছে নিজের সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনেরা।

অদৃশ্য শত্রুর ছবলে আক্রান্ত সেই করোনা রোগীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে গোপালগঞ্জ বন্ধুমহল ও চন্দ্রদিঘলিয়া ব্লাডব্যাংক। 

সংগঠনগুলো খুব অল্প সময়ে পৌঁছে গেছে দুয়ারে দুয়ারে ফ্রি অক্সিজেন সেবা নিয়ে। শুধু অক্সিজেন সেবাতেই সীমাবন্ধ নয়, তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছে সকল ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড।

তাঁদের কাজের বিষয়ে প্রতিবেদকের কথা হয় চন্দ্রদিঘলিয়া ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও গোপালগঞ্জ বন্ধুমহলের স্বেচ্ছাসেবী এম. আজমানুর রহমানের সাথে।

তিনি জানান, আমরা গতবছর করোনা শুরুর প্রথম দিক থেকেই চন্দ্রদিঘলিয়া ব্লাডব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করি। তার মধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান, সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানো, করোনায় কর্মহীনদের খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ বেশ কিছু কাজ করেছি। যে কোনো ছোট জায়গা থেকেই বড় ধরনের কাজ করা যায়, মূলত আমরা সেটাই মানুষকে শেখাতে চেয়েছি এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছি।

আজমানুর বলেন, মানুষের জন্য কাজ করাটা শুরু হয়েছিলো অনেক আগে থেকেই তবে এই করোনা পরিস্থিতি আমাদের আরো আগ্রহ জাগিয়েছে। আমাদের এই ছোট্ট সংগঠন নিয়ে ফান্ড ছাড়া কিভাবে কাজ করবো সেটা নিয়ে সগঠনের সকলেই চিন্তিত ছিলাম। 

কিন্তু হঠাৎ করেই কিছু মানুবিক মানুষের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় যাত্রা শুরু করলো “গোপালগঞ্জ বন্ধুমহল”। আমাদের ছোট্ট সংগঠনটি নিয়ে যুক্ত হলাম ‘গোপালগঞ্জ বন্ধুমহল’-এর সাথে। শুরু হলো দিন-রাত ২৪ ঘন্টা করোনা আক্রান্ত রোগীদের ফ্রি আক্সিজেন সেবা দেওয়া। আমাদের এই রাস্তাটা এতটা সহজ ছিলো না।

মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছাশক্তি থেকেই এই কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। তাই এখানে ভলেন্টিয়ারের সংখ্যা খুবই কম৷ ফলে আমরা যারা আছি, তাদের দিনের পর দিন, রাতের পর রাত কাজ করতে হচ্ছে। আমরা আসলে এটাকে ধরে রাখতে চাই৷ সংগঠন কত বড় হলো সেটা বিবেচ্য নয়৷ অনুপ্রেরণাই বড় কথা৷ 

একদিন আল্লাহর রহমতে করোকালীন স্বেচ্ছাসেবীরা করোনা জয় করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এসব সংগঠন এবং সংগঠনের সকল স্বেচ্ছাসেবীরা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। যাতে করে প্রতিটি মানুষই নিজেদের ইচ্ছাশক্তি থেকেই মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এমনটাই প্রত্যাশার কথা জানান এই তরুণ স্বেচ্ছাসেবী।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!