
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নিজের অপকর্ম ঢাকতে এক নিরহ মাছ ও পটল চাষীকে দোষারোপ করে হয়রানী মূলক মামলা দেওয়ার ঘটনায় এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭এপ্রিল) বেলা ৩টার দিকে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের খাসপুর গ্রামের আজিবারের ছেলে চাষী মো: আলিম। তিনি বলেন- খাসপুর গ্রামস্থ কামকলা বিলে তার ছোট বড় মিলে ৪ বিঘা জমিতে মাছ চাষ হচ্ছে। তার ঘেরের পাশে ওই এলাকার ইউপি সদস্য জুলুর একটি দুই বিঘা জমিতে পুকুর রয়েছে। সেই পুকুরটি চেড়াঘাট এলাকার শ্রী রুইদাস নামে এক ব্যক্তি ১লাখ টাকা দিয়ে লিজ নিয়ে সাদা মাছ চাষ করছেন। এর মধ্যে তিনি ওই পুকুর থেকে দুই দুই বার জাল দিয়ে মাছ তুলে বিক্রয় করে দিয়েছে। এর আগে ওই পুকুরের মাছ দেখিয়ে শ্রী রুইদাস তৈলকূপি গ্রামের মেম্বর শফিকুল ইসলামের কাছ থেকে মাছের খাদ্য হিসাবে ৭ হাজার, খাসপুরের ছাদেক এর নিকট থেকে ১লাখ ২০ হাজার, লাঙ্গলঝাড়া সবুজ এর কাছ থেকে মাছের খাদ্য সহ বিভিন্ন স্থান থেকে ধার করে টাকা নিয়েছে। সেই টাকা তাদের দিতে পারছে না। এই টাকা উদ্ধারের জন্য তারা প্রায় সময় চাপ সৃষ্টি করছে রুইদাসকে। গত ২২এপ্রিল সকালে রুইদাস তার পুকুর থেকে মাছ ধরে ৪০ হাজার টাকার মাছ বিক্রয় করে। পরের দিন রাতে কে বা কাহারা তার পুকুরে বিষ দিয়ে ১০/১৫ হাজার টাকার মাছ মেরে দেয়। পরে এই মাছ মরাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয় রাজনৈতিক খেলা। রুইদাস বিষয়টি ওই এলাকার ইউপি সদস্য জুলুকে জানালে সে কৌশলে থানায় একটি অভিযোগ দিতে বলে। সেখানে রাজনৈতিক কৌশল হিসাবে জুলু মেম্বর নিরহ চাষী মো: আলিম এর নাম ওই অভিযোগের মধ্যে লিখে দেয়। সম্প্রতি বন্ধ হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদ প্রার্থী মজনু রহমানের (ফুটবল প্রতীকের) পক্ষ নিয়ে ১ হাজার পোষ্টার কিনে দেন। এ নিয়ে ওই দিন থেকে বর্তমান ইউপি সদস্য জুলুর সাথে তার দ্বন্দ্ব চলে আসছে। যে কারনে নিরহ চাষী আলিমের নাম ওই মামলার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন। এদিকে নিরহ চাষী আলিম বিষয়টি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।