মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী চৈতালী মুখার্জীর কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন পরিচালনা কমিটির পরিচিতি ও মা সমাবেশ ডুমুরিয়ায় দুই মা দ ক সে বী আ ট ক, ভ্রাম্যমান আদালতে জে ল জ রি মা না গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এম. মনসুর আলীর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সাথে বিজ্ঞান বিষয়ক সংলাপ করলেন ডিসি মোঃ আরিফ- উজ- জামান ডিবি সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সাতক্ষীরার এসপির সামেক হাসপাতালে অ নি য় মে র অ ভি যো গ, আগামীকাল ভূমিহীন সমিতির মানববন্ধন তালায় দুস্থ রোগীদের জন্য ১৫০ ডেঙ্গু টেস্ট কিট প্রদান তালায়  উদ্দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত পাটকেলঘাটার স্বাগতা ক্লিনিকে সিভিল সার্জনের অ ভি যা ন ওটি ও প্যাথলজি সিলগালা

সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টা কা ছা ড়া মে লে না ছা ড় প ত্র

✍️গাজী হাবিব📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর ছাড়পত্র নিতে ২০০ টাকা এবং শিশুর হাতে লাগানো ক্যানুলা খুলে দিতে ৫০ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ছাড়পত্র আটকে রাখার পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও করেছেন এক শিশুর মা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামের সাড়ে তিন মাস বয়সী শিশু রিফাত শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। টানা সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় তার পরিবারের কাছে টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ।

রিফাতের মা অভিযোগ করে বলেন, মামুন নামে এক ব্যক্তি আমাদের কাছে ২০০ টাকা চান। আমরা টাকা দিতে চাইনি। কিন্তু টাকা না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। পরে ২০০ টাকা দেওয়ার পর ছাড়পত্র পাই।

এ ছাড়া শিশুটির হাতে লাগানো ক্যানুলা খুলে দেওয়ার জন্যও ৫০ টাকা চাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্টদের আচরণ খারাপ হয়ে যায় বলেও দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে শিশু ওয়ার্ডের বিল্লালের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, তাদের কোনো বেতন নেই, তাই টাকা নেই। তখন জানতে চাওয়া হয় বেতন নেই তো হাসপাতালে আপনারা কেন থাকেন, তার স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারিনি।

অভিযোগের বিষয়ে মামুনের সঙ্গে কথা হলে তিনিও বলেন, টাকা ছাড়া ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। আমাদের কোনো বেতন নেই, তাই এটা আমরা নিই।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ কুদরত-ই-খুদার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

পরে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অজয় কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রোগীদের কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়ার বিষয়টি মাঝেমধ্যে শোনা যায়। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে বহিষ্কার করা হবে বলে জানান তিনি।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ তারা এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জানানোর সুযোগ বা সাহস পান না, এমন কথাও স্থানীয়ভাবে শোনা যায়। ফলে শিশু ওয়ার্ডে এ ধরনের আরও কেউ ভুক্তভোগী হয়েছেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ থাকলেও অনেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে না জানানোর কারণে সব ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে না বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ঘটনায় শিশু ওয়ার্ডে রোগীদের কাছ থেকে যারা টাকা নিচ্ছেন, তারা হাসপাতালের কর্মী কি না এবং কার অনুমতিতে সেখানে কাজ করছেন তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!