রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জমকালো আয়োজনে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে সাতক্ষীরায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস’র উদ্বোধন সাতক্ষীরায় নারী ব্যবসায়ি বীথিকা সাধু হ ত্যা: আরো একজন গ্রে প্তা র শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে বালু উ ত্তো ল ন করায় একজনের কা রা দ ন্ড, ৫০ হাজার টাকা জ রি মা না সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে মহান মে দিবস পালিত  সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত  ভু য়া সাংবাদিকদের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে মর্যাদা! দেবহাটায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা  সাতক্ষীরায় ৫ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও মোবাইল সরঞ্জাম জ ব্দ দেবহাটায় শ্রমিক দিবসে র‌্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ সাতক্ষীরায় মহান মে দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কর্মসূচি পালন

দেবহাটায় জবর দখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

✍️আসাদুজ্জামান🔏☑️
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার খলিশাখালিতে ১৩’শ ২০ বিঘা জমি ও মৎস্য ঘের স্থানীয় ভুমিহীন নামধারী ভমিদস্যু সস্ত্রাসী কর্তৃক অবৈধভাবে জবর দখলের প্রতিবাদ ও উক্ত সম্পত্তি উদ্ধার করে তা প্রকৃত রেকর্ডীয় মালিকদের কাছে দখল ফিরে দেয়ার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন, দাবীকৃত জমির মালিক আইডিয়াল’র পরিচালক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, কাজী গোলাম মোরশেদ ও আলহাজ্ব মোঃ আনছার আলী।

সংবাদ সম্মেলনে তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, খলিশাখালিতে আমাদের রেকর্ডীয় ও লীজকৃত ৩০টি খন্ড বিভক্ত বিস্তীর্ণ জমি স্থানীয় কিছু ভূমিহীন নামধারী এবং জেলা ও জেলার বাইরে বিভিনে এলাকা থেকে আসা ৭ শতাধিক সস্ত্রাসী অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে গত শনিবার ভোররাতে আমাদের লীজ গ্রহীতা ও মৎস্য ঘেরের কর্মচারীদের মারধর করে জোরপূর্বক দখল করে নেয়। এসময় তারা উক্ত মৎস্য ঘের থেকে আনুমানিক ৪ কোটি টাকার মাছ লুটপাট এবং ঘেরের বাসাবাড়ি ভাংচুর করে আনুমানিক ৩৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে। তাৎক্ষনিকভাবে প্রতিকার চেয়ে দেবহাটা থানা কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। এমনকি উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের কয়েকজন জমির মালিক দেবহাটা থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ কোন মামলা গ্রহন না করে তাদের ফিরিয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা কোর্টে মামলা দায়ের করা হলে আদালত মামলা গ্রহন করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

তারা বলেন, ১৮১২ নং সিএস খতিয়ান ১১১৭৫ নং দাগসহ ২৭টি দাগ উল্লেখিত ৪৩৯.২০ একর (১৩’শ ২০ বিঘা) জমির মালিক চন্ডীচরণ ঘোষ। সেখান থেকে বিভিন্ন কোবলা দলিল, পাট্টা দলিল ও কোর্টের রায় মোতাবেক এসএ ২৯৬২ থক ২৯৮০ খতিয়ান রেকর্ড প্রকাশের পূর্বে কলিকাতা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস বিগত ০৮/০৩/৫৩ তারিখ ৬৯৪ নং বিনিময়ে দলিল মূলে দেবহাটা থানার তজন্দ্রনাথ চৌধুরীর পুত্র সুরেন্দ্রনাথ চৌধুরীর সাথে বিনিময় করেন। এসএ রেকর্ড পরবর্তী উক্ত বিনিময় দলিলের গ্রহীতা শিমুলিয়া গ্রামের কাজী আব্দুল মালেক এর ওয়ারেশগণসহ ক্রমিক হস্তান্তর সূত্রে অপরাপর মালিকগণ বর্তমান বিএস রেকর্ড প্রাপ্ত হন এবং তৎপরবর্তী প্রিন্ট পর্চাসহ প্রায় ৩০০ মালিকের নামে প্রায় ২০০টি পর্চায়ে উক্ত সমুদয় সম্পত্তি গেজেট প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে অনেক মালিকগন হালসন পর্যন্ত খাজনাও পরিশোধ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উল্লেখ করেন যে, উক্ত সম্পত্তি ভোগদখল করার অসৎ উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলালা জজ আদালতে জনৈক জোনাব আলী ১৮/২০১০ নং মামলাটি দায়ের করেন। উক্ত মামলার স্বত্বর কোন বিচারিক কার্যক্রম শুরু না করে বাদীপক্ষ আদালতে প্রভাব বিস্তার করে নিজস্ব ব্যক্তিবর্গের নামে রিসিভার গ্রহণ করেন। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আমাদের বিবাদী পক্ষের দায়ের রিভিশন মামলা নং ২১৬/১২ এবং ২৫৬৮/১৬ এর আদেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক মহামান্য হাইকোর্ট মূলে মামলা ১৮/২০১০ খারিজ করেন এবং নিন্ম আদালত কর্তৃক দেয়া রিসিভার বাতিল করেন। এরপর আমরা হাইকোর্টের আদেশ জেলা যুগ্ম আদালত দাখিল করলে এই আদালতেও মুলে মামলা খারিজ এবং রিসিভার বাতিল করে দেন। পরবর্তীতে বাদীপক্ষ সুপ্রিম কোর্টে আপীল করলে সেখানে জেলা প্রশাসক উক্ত সম্পত্তির স্বত্ব প্রচারের জন্য নিন্ম আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন বলে আদেশ দেন। সেক্ষেত্রে মামলা চলাকালীন সময় উক্ত সম্পত্তি জেলা প্রশাসক আইনানুযায়ী নিয়ন্রন রাখবেন। যেহেতু উক্ত জমির সিএস রেকর্ড থেকে এসএ ও বিএস রেকর্ডের প্রিন্ট পর্চা মালিকদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, সেহেতু সুপ্রিম কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ সুপ্রিম কোর্ট রিভিউ মামলা দায়ের করেন। যার নং ১৬৮/২১। বর্তমান মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন তারা আরো বলেন, যে সম্পত্তি ১৯৫৩ সাল থেকে সিএস, এসএ এবং প্রিন্ট পর্চাসহ গেজেট প্রকাশিত হয়েছে এবং ৭০ বছর যাবত বিবাদী পক্ষ ভোগদখলে আছেন, সেই সম্পত্তিতে অন্যপক্ষের যাওয়ার কোন সুযোগেই নেই। অথচ উক্ত সম্পত্তি রাতের আঁধারে জোরপূর্বক দখল করে প্রতিরাতে সেখান থেকে মাছ লুট করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এ সময় উক্ত সম্পত্তি দখলমুক্ত ও প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিতে জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবী জানান।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!